
সেই চিহ্নিত চাঁদাবাজ রইচ এখন খসরু চৌধুরীর ভ্যানগার্ড!
নিজস্ব প্রতিনিধি
অন্য রকম চালাক প্রকৃতির লোক তিনি, সেলফি তোলা পছন্দ করেন, বিভিন্ন প্রোগ্রামে গিয়ে রাজনৈতিকবিদ, মন্ত্রী, এমপি, প্রভাবশালী নেতাদের সাথে কৌশলে ছবি তোলে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন। কথায় কথায় সুনামধন্য প্রভাবশালীদের কাছের পরিচিত বলে পরিচয় দেয়।
মোঃ শফিকুল ইসলাম রইচ, গোপালগঞ্জের
বাড়ী ছোট বেলা গাজীপুর জেলার টঙ্গী বাজার এলাকায় বেড়ে ওঠা। টঙ্গী বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে সেনা কল্যাণ মার্কেটের উপরে গার্মেন্টস চাকুরী করতেন। এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহপুর পরিবহন টার্মিনালে ঘুরঘুর করতে এসে পরিবহন শ্রমিকদের সাথে পরিচয় হয়ে উঠে, বাস পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন প্রতিদিন নিদিষ্ট হারে হাজিরায়।
ঢাকা জিলা বাস মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন এর আব্দুল্লাহপুর শাখা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ নুরুল ইসলাম নূর এর অধিনে কিছু গাড়ীর হিসাব ও গাড়ী থেকে টাকা তোলার দায়িত্ব পালন করেন এক পর্যায়ে তাঁর ঘনিষ্ঠ হয়ে যায় সকলের মাঝে পরিচিত দিতে থাকে ভাই হিসেবে দুই জনের বাড়ী একি জেলা গোপালগঞ্জ সেই হিসেবে সকলের বিশ্বাস করেন। বিভিন্ন ভাবে অতিউৎসাহী হয়ে জালিয়াতি ও চাঁদাবাজি ফন্দিবাজি করে পরিবহন শ্রমিক কমিটি নিজেই নেতা হতে চেষ্টা করেন দৌড়ঝাঁপ পারেন গোপনে আঁতাতের গোপন তথ্য জানার পর থেকে আব্দুল্লাহপুর থেকে বিতাড়িত হয়, দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁর পরে বিভিন্ন বিষয় ঘিরে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করে উধাও হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। মোঃ সালমান খান প্রান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ও ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ আফছার উদ্দিন খানের ভাতিজার নেতৃত্বে মিছিল মিটিং সভায় উপস্থিত থাকতেন তাঁর অফিস থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগ মুহূর্তে একটি খালি নাম ছাড়া প্যাট নিয়ে নিজের নাম যুক্ত করে হয়ে যান ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তরের। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন পুর্নাঙ্গ কমিটি জমা দিতে হবে সেই সম্মেলনে তাই কিছু পদ খালি রয়েছে ফিলাপ করার জন্য ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দৌড়ঝাঁপ পারেন উত্তরের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন থানা কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করে কিছু নাম দরকার মনে করেই কমিটি ফিলাপের জন্য, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের খালি কিছু প্যাট বিতরন করা হয় সেই প্যাটে নাম পদবী ব্যবহার করার জন্য এবং যাঁদের নাম পদবী দিবে সেই নামের ব্যাক্তিদের সম্মেলনে উপস্থিত থাকতেই হবে। সেই খালি প্যাটে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্ররীগের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম রইচ। সেই সময়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্যাটে পদবী দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়, কবে থেকে ছাত্রলীগ করে, কোন কমিটির নেতা ছিলো, কখনো রাজনীতি না করে ছাত্রলীগের পদ পেয়েছে সহ সভাপতি !। সম্মেলনের পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কমিটি রদবদল হয়। উত্তরার আব্দুল্লাহপুরের পরিবহন শ্রমিক রইচ হটাৎ বনে যায় ছাত্রলীগ নেতা, ব্যানার, ফেস্টুনে সাবেক ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তরের পরিচয় লিখেন। আব্দুল্লাহপুরে পরিবহনের চিহ্নিত চাঁদাবাজ সহ বিভিন্ন তথ্য সংবাদপত্রে প্রকাশিত তোপের মুখে পড়ের সাংবাদিকদের।
সাংবাদিকদের আনাগোনা বাড়তে থাকলে লাপাত্তা হয়ে যায়।
কিছুদিন পরে আব্দুল্লাহপুর থেকে ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড়ে একটি দোকান দেয়। ধীরে ধীরে কৌশলে চেষ্টা করেন উত্তরার কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ আফছার উদ্দিন খান ও তাঁর ভাতিজা মোঁ সালমান খান প্রান্ত এবং এমপি পরিবারের সাথে মিশতে ব্যাপক চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের ক্ষমতাশালী নেতাদের সাথে মিশতে না পেয়ে আশ্রয় মিলান নিপা গ্রুপ ও কে সি ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান মোঃ খসরু চৌধুরীর সাথে ধীরে ধীরে কৌশলে তাঁর সাথে বিভিন্ন সভায় উপস্থিত হতে থাকেন। মোঃ খসরু চৌধুরীর ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন রইচ।