1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক তাজুল ইসলাামের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ।

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪৯৯ বার দেখা হয়েছে

শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক তাজুল ইসলাামের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে আইন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সংবাদ প্র্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। তারপরেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে বারবার তিনি থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। রয়েছেন চাকুরীতে বহাল।

থামছেই না শ্যামপুরে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কোটিপতি পিয়ন তাইজুল ইসলামের অনিয়ম দুর্নীতি। দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রত্যেকটি বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন তাইজুল ইসলাম। এই অফিসে ঘুষের লেনদেনের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রকও তিনি। তার কথা ছাড়া অফিসের একটি কাজও হয় না।

অভিযোগ উঠেছে, দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে প্রতিটি বিষয়ে ঘুষের টাকা লেনদেন করেন পিয়ন তাজুল ইসলাম । দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জনের অর্থ দিয়ে কোটি টাকার সম্পদ। গড়ে তুলেছে একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট। কদমতলী থানা ৬৫ নং ওয়ার্ড হোল্ডিং নম্বর ২৫২/৩, মেরাজনগর বি-ব্লক, মেইন রোডে এই বাড়ির পাশেই তার রয়েছে নির্মানাধীন ১০ তলা ভবন। গোপন সূত্রে জানা গেছে, এই ভবনটি শ্যামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন জুল ইসলাম সহ ৪ জনের। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, তার মা শাহারা বেগম এর নামে ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি রয়েছে। শাহারা বেগম পেশায় একজন গৃহিনী। গৃহিনী হওয়া সত্ত্বেও এত সম্পত্তি কিভাবে পেলেন তার সঠিক উত্তর পাওয়া যায় নি। সম্প্রতি শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ শাহিদুর রহমান জানিয়েছিলেন তার কাছে একটা তদন্তের একটি চিঠি আসার কথা। পিয়ন তাইজুল ইসলামের দুর্নীতি ও অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ শাহিদুর রহমান এর কাছে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আমি সামান্য কর্মচারী। আমার পক্ষে অনিয়ম দুর্নীতি অসম্ভব।

একজন অফিসের পিয়ন কিভাবে রাতারাতি এতো অর্থ সম্পত্তির মালিক হলো তা খতিয়ে বের করতে প্রশাসনেরর হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন সেবাগ্রহীতা।শ্যামপুরের সাব-রেজিষ্ট্রাের মোঃ শাহিদুর রহমানের সাথে পিয়ন তাজুল ইসলামের দহরম-মহরম সম্পর্ক।এ কারনে তদন্ত হলেও রিপোর্ট তাজুল ইসলামের পক্ষেই যাবে এটাই স্বাভাবিক।

সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক তাজুল ইসলাামের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে আইন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সংবাদ প্র্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। তারপরেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে বারবার তিনি থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। রয়েছেন চাকুরীতে বহাল।

থামছেই না শ্যামপুরে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কোটিপতি পিয়ন তাইজুল ইসলামের অনিয়ম দুর্নীতি। দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রত্যেকটি বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন তাইজুল ইসলাম। এই অফিসে ঘুষের লেনদেনের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রকও তিনি। তার কথা ছাড়া অফিসের একটি কাজও হয় না।

অভিযোগ উঠেছে, দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে প্রতিটি বিষয়ে ঘুষের টাকা লেনদেন করেন পিয়ন তাজুল ইসলাম । দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জনের অর্থ দিয়ে কোটি টাকার সম্পদ। গড়ে তুলেছে একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট। কদমতলী থানা ৬৫ নং ওয়ার্ড হোল্ডিং নম্বর ২৫২/৩, মেরাজনগর বি-ব্লক, মেইন রোডে এই বাড়ির পাশেই তার রয়েছে নির্মানাধীন ১০ তলা ভবন। গোপন সূত্রে জানা গেছে, এই ভবনটি শ্যামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন জুল ইসলাম সহ ৪ জনের। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, তার মা শাহারা বেগম এর নামে ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি রয়েছে। শাহারা বেগম পেশায় একজন গৃহিনী। গৃহিনী হওয়া সত্ত্বেও এত সম্পত্তি কিভাবে পেলেন তার সঠিক উত্তর পাওয়া যায় নি। সম্প্রতি শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ শাহিদুর রহমান জানিয়েছিলেন তার কাছে একটা তদন্তের একটি চিঠি আসার কথা। পিয়ন তাইজুল ইসলামের দুর্নীতি ও অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ শাহিদুর রহমান এর কাছে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আমি সামান্য কর্মচারী। আমার পক্ষে অনিয়ম দুর্নীতি অসম্ভব।

একজন অফিসের পিয়ন কিভাবে রাতারাতি এতো অর্থ সম্পত্তির মালিক হলো তা খতিয়ে বের করতে প্রশাসনেরর হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন সেবাগ্রহীতা।শ্যামপুরের সাব-রেজিষ্ট্রাের মোঃ শাহিদুর রহমানের সাথে পিয়ন তাজুল ইসলামের দহরম-মহরম সম্পর্ক।এ কারনে তদন্ত হলেও রিপোর্ট তাজুল ইসলামের পক্ষেই যাবে এটাই স্বাভাবিক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি