
রাজধানীর বনানীতে কবরস্থানের কাছে সংবাদকর্মী পরিচয় নামধারী শহীদ মাদক ও নারী দেহ ব্যবসায়ী শীর্ষে আলোচনায় রয়েছেন কে এই শহীদ নিজেকে কখনো বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অসামাজিক কার্যকলাপ ঢাকা সিটিসহ বিভিন্ন জায়গায় চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় শহীদ ছিল অতি তার দালাল হঠাৎ সাংবাদিকের সাথে পরিচয় হলে নিজেকে ভালো সাজার জন্য কিছু টাকার বিনিময় একটি পত্রিকার কার্ড করেন করেন হয়ে গেলেন সংবাদ কর্মী ভাব সাব দেখলে মনে হয় বিশাল এক জন শুধু তাই নয় এখানে রাত হলে মেয়ে দিয়ে অবাক খাওয়ানোর ধুম পড়ে যায় বলেও তাহার সাথে থাকা একজন আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন এবং বিভিন্ন সময় প্রশাসনের বড় অফিসারের নাম ভাঙ্গে মানুষদের হুমকি দেন বিস্তারিত আসছে জাতীয় কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় আমাদের সাথেই থাকুন ব্যাভিচারের অবৈধ যৌনতার বিষ বাস্প ছড়িয়ে দিয়ে সমাজকে প্রতিনিয়ত ধংষ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায় সেখানে প্রতিদিন সন্ধার পর সব ভয়ংকর প্রকৃতির লোকের সমাগম লক্ষ করা যায়। এমনকি প্রশাসনের কতিপয় অফিসার ও সেখানে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে এবং অশ্লীল কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী বিশ্বাসঘাতক জামাত চক্রের মদদ দাতা হিসেবে তারা সেখানে একত্রে মিলিত হচ্ছে। গোপনে বৈঠক করে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডের ইদ্রোন দিচ্ছে বলে জানা গেছে। বর্তমান সময়ের অভিসাপ ভয়ংকর নাসকতা সৃষ্টিকারী জঙ্গীবাদের উস্কানীদাতা হিসেবে তাদের কর্মকান্ডে যথেষ্ট সদ্রেহ রয়েছে আসপাশের প্রতিবেশিদের মাঝে।। তবুও তারা কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে নির্বিগ্নে সকল কাজ পরিচালনা করছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে আইন শৃংখ্যলা রক্ষাকারী বাহিনী সবকিছু জেনে ও না জনার ভান করে তাদের যথাযথ দায়ীত্ব পালনে উদাসিনতার চাদর মুড়ি দিয়ে রয়েছে। তা না হলে গুলশানের মত স্পর্সকাতর এলাকায় কিভাবে তারা এ ধরনের জঘন্য গর্হিত কর্মকান্ড চালাতে সাহস পাচ্ছে। তারা তাদের হীন অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সমাজে বেশরা কাজের ভীড় জমাচ্ছে আর মানুষকে পাপাচারে লিপ্ত করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে সমাজ থেকে অশ্লীলতা পাপাচার দুর করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানায় স্থানীয় এলাকাবাসী।