
টঙ্গীর বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে সিএনজির একাধিক অবৈধ স্ট্যান্ড। সড়কের দুইপাশে, আনাচে-কানাচে অবৈধ স্ট্যান্ডের ছড়াছড়িতে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। বেড়েছে জনগণের ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনরা।
তাদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কটিও দখল করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সিএনজি-এ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যান্ড বসিয়েছেন ক্ষমতাসিন লীগ নেতা সুলাইমান ও সেলিম চাঁদাবাজরা। ফলে ব্যস্ত সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় যানজটের ভোগান্তিতে পড়েন সেবা প্রার্থীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহরের হাসপাতাল সামনে বিভিন্ন স্থানে এ অবৈধ স্ট্যান্ড বসানো হয়েছে। ওইসব স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন সিএনজি থেকে ২০-৪০ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। কোনো চালক চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার সিরিয়াল বাতিল; কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে করা হয় মরধর। এলাকার বড় বাজার এলাকার চিত্র হলো ভিন্ন। গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে সিএনজি গাড়ির কারণে মনে হয় এখানে গাড়ির হাট বসেছে। উঠেছে সিএনজিস্ট্যান্ড। এই স্ট্যান্ডের কারণে পুরো এলাকাসহ পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়াও স্টেশনগুলোর মধ্যেও সবগুলো অবৈধ স্টেশন বা পার্কিং বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, মুলত চাঁদা আদায়কারিরা নিজেদের পকেট ভারি করার জন্য যে যার মতো স্টেশন বসিয়ে চাঁদাবাজি করছে। বেপরোয়া এই চাঁদাবাজির কারণে টাকা খরচ করে শহরের প্রধান প্রশস্ত করেও তা কোন কাজে আসছে না। ফলে প্রতিনিয়ত যানজট যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি আর্থিক হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ চালকরা। আর অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।
এইসব স্থানে পাকিং করা সিএনজি চালকরা জানান, প্রতিবার যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় সোলায়মান ও সেলিমের নামে চাঁদা নিয়ে যায়। চাঁদা দিতে না চাইলে সিরিয়াল বাতিল করে পরবর্তী স্ট্যান্ডে সিএনজি নিয়ে ঢুকতে নিষেধ করা হয়। এসব কারণে চালকরা চাঁদা দিতে বাধ্য হন।