
টঙ্গীতে হঠাৎ বেড়েছে ছিনতাই, দুর্বৃত্তরা কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ
গাজীপুরের টঙ্গীতে হঠাৎ বেড়েছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধারনের অপরাধ প্রবণতা। ছিনতাই কাজে বাধা দিলে প্রাণও কেড়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা এলাকায় একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ প্রশাসনের নেই তৎপরতা। এতে করে এর ভয়াবহতা বেড়েই চলছে।
ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে কেউ সর্বস্ব হারাচ্ছে, আবার কেউ প্রাণ হারাচ্ছে। এর ফলে দিন দিন জনমনে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। সবমিলে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হচ্ছে বলে মনে করছেন এলকাবাসী।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গীতে হঠাৎ বেড়েছে চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ নানা ধারনের অপরাধ প্রবণতা।
ছিনতাই কাজে বাধা দিলে প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। গত বুধার ভোররাতে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন বরিশাল জেলার বাইন পাড়া থানার মাদারকাঠি গ্রামের মান্নান মৃধার ছেলে নয়ন মৃধা (৩৬)। ছিনতাইকারীর হামলায় এই পোশাক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা হলেও আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
টঙ্গীর বেশ কয়েকটি ছিনতাই স্পটের মধ্যে, আমতলি, নিমতলী,তিস্তার গেট রেললাইন,বনমালা রেললাইন, হায়দরাবাদ রেল ব্রিজ, টঙ্গী নদী বন্দর, আব্দুল্লাহপুর ব্রিজ, হকের মোড়, মধুমিতা, আউচপাড়া, হোসেন মার্কেট, বাঁশপট্টি, গাজীপুরা শাতাইশ, প্রত্যাশা ব্রিজ অন্যতম। পুলিশি ঝামেলার কারণে অনেকেই থানায় আসেন না। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, থানা পুলিশ ঠিকমতো কাজ না করায়, চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দেদার চলছে।
পশ্চিম থানা পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, নয়ন হত্যা কাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে পূর্ব থানার ওসি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিদিন তিন চারজনকে ধরে জেল হাজতে পাঠাচ্ছি কিন্তু জামিনে এসে আবার শুরু করে।
আমরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।