
ডাগর নয়না হূর অবতরণ করে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ-গান করবে। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ বলবেন: আমার বান্দাদের কাপড় পরিধান করাও, তাদের কাপড় পরিধান করানো হবে। তিনি বলবেন: আমার বান্দাদের খাদ্য দাও, তাদের খাদ্য দেয়া হবে। তিনি বলবেন: আমার বান্দাদের পান করাও, তাদের পান করানো হবে। তিনি বলবেন: আমার বান্দাদের সুগন্ধি দাও, তাদের সুগন্ধি দেয়া হবে। অতঃপর বলবেন: তোমরা কি চাও? তারা বলবে: হে আমাদের রব আপনার সন্তুষ্টি। তিনি বলেন, তিনি বলবেন: আমি তোমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছি, অতঃপর তাদেরকে নির্দেশ দিবেন, তারা যাবে ও ‘হূরুল ঈন’ প্রাসাদসমূহে প্রবেশ করবে যা সবুজ মণি-মুক্তা ও লাল ইয়াকুত পাথরের তৈরি। (হাদিসে কুদসি, হাদিস নং ৯০ হাদিসের মান: সহিহ)।
দিনের বিশেষ আমলসমূহ:
নিজে ঘুম থেকে দ্রুত ওঠা ও পরিবারকে ওঠানো। নিজে গোসল করা ও পরিবারকে গোসল করানো। আগে আগে মসজিদে যাওয়া। পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া। ইমামের কাছাকাছি বসা। অনর্থক কথা না বলা এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শ্রবণ করা। ফজরের ফরজ নামাজে সূরা সেজদা ও সূরা দাহর তেলাওয়াত করা। উত্তম পোশাক পরা। সুগন্ধি ব্যবহার করা। সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময়) দুই খুতবার মাঝে এবং আসরের পর থেকে মাগরিবের পূর্ব পর্যন্ত বেশি বেশি দোয়া করা। সারাদিন যথাসম্ভব বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা। নিজ নিজ বাসস্থান এবং বাড়ির আঙ্গিনা সমূহ বিশেষভাবে পরিষ্কারের পরিচ্ছন্ন করা। চুল, নখ কাটা এবং অবাঞ্চনীয় পশমসমূহ পরিষ্কার করা।
জুমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিবেচনা করে প্রতিটি মুসলিমের উচিত এই দিনটিকে উত্তমরূপে কাজে লাগানো। বিশেষ করে উপরে উল্লেখিত আমলসমূহ সুন্দরভাবে আদায় করা এবং সমস্ত প্রকারের কবিরা ও সগিরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। আল্লাহ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুক আমিন।