
কাপাসিয়া উপজেলা পিআইও অফিস সহকারী সুমন ত্রানের টিন দিয়ে করেছেন বাড়ী । সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বাড়ীতে থাকা আরও টিন সড়িয়ে ফেলেন ।
স্টাফ রিপোর্টার: কাপাসিয়া উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সহকারী সুমন, ও উমেদার সাখাওয়াত , এ্যাসিল্যান্ড অফিসের অফিস সহকারী সোলেমান , ড্রাইভার মহাসীন , উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর ড্রাইভার মহাসীন সেন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করছে কাপাসীয়া উপজেলার সমস্ত উন্নয়ন কাজ। এই সেন্ডিকেটের ভয়ে ঠিক মতো কাজ করতে পারছে না পিআইও মোঃ তুহিনূর রহমান। এ বিষয় তুহিনূর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সুমন সেন্ডিকেটের ভয়ে আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। কারণ তারা সবাই স্থানীয় , আমরা বাহীরের মানুষ, তাছাড়া আজকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমনের বিষয় একটি চিঠি দিয়েছেন ত্রানের টিনের বিষয়। আমি সময় পেলে তদন্ত করবো। সুমন সেন্ডিকেট পিআইও অফিসে সমস্ত কাজ কর্ম করেন ওমেদার সাখাওয়াতকে দিয়ে। সুমনের বাড়ী কাপাসীয়ায় , অথচ মিথ্যা পরিচয়ে চাকরী করছেন। ত্রানের টিন চোর সুমন , ত্রানের টিন দিয়ে বাড়ী করেছেন। পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পড়ে তার বাড়ীতে অনেক ত্রানের টিন ছিল। গত শুক্রবার মানুষ যখন নামাজে ব্যস্ত ছিল , তখন ওই টিন গাড়ী ভাড়া করে অন্যত্র সরীয়ে ফেলে। বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার জানতে পেরে তিনি বাধা দিলে তাকে মারধর করে ওই গাড়ী নিয়ে যায়। এ বিষয়ে কাপাসীয়া থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সূত্রে জানাগেছে কাপাসীয়া থানায় দুই বার দুইটি অভিযোগ দেওয়া হলেও । অজ্ঞাত কারনে মামলা নিচ্ছে না কাপাসীয়া থানা পুলিশ। পিআই অফিস সহকারী সুমন চলাচল করেন দামী গাড়ীতে । ময়মনসিংহ জেলায় কিনেছেন পাঁচ বিঘা জমি। এছাড়াও নামে বেনামে রয়েছে তার অনেক সম্পত্তি। বিষয়টি গাজীপুর জেলা প্রশাষকের কাছে আবেদন করবেন একাধীক ভূক্তভোগীরা। গত বৃহস্পতিবার এবিষয় আরো একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল । পুন: প্রকাশ ক্ষমতার লোভে টাকার লোভে সম্পত্তির লোভ দিশেহারা কিছু কিছু মানুষ। টাকার নেশায় ভুলে যায় তার পূর্বের পরিচয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় একসময় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো ব্যক্তি সরকারি চাকরি পেয়ে ভুলে যায় পূর্বের পরিচয়। সরকারি চাকরি পেয়ে মানুষের সেবার কথা ভুলে গিয়ে নিজের ও পরিবারের এবং আত্মীয়—স্বজনের সেবায় ব্যস্ত থাকে কিছু কিছু কর্মকর্তা—কর্মচারী। যার কারণে বদনাম হয় সরকারের। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনরাত আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে একটি উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে । প্রতিটি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী যদি সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে তাহলে অবশ্যই বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলা। অথচ কিছু কিছু দুর্নীতি পরায়ন, স্বার্থলোভী কর্মকর্তা কর্মচারীর কারণে বদনাম হচ্ছে সরকারের। এমনই কর্মচারী পিতা ও পুত্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কাপাসিয়া বাসী। কাপাসিয়া এসিল্যান্ডের অফিসের অফিস সহকারী মোহাম্মদ সোলেমান ধারালো দাও হাতে নিয়ে অন্যের গাছ কাটতে যায়। সাথে তার ছেলে কাপাসিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারি সুমন এবং তার সঙ্গে অন্যান্য সন্ত্রাসীরা। সূত্রে জানা গেছে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর দুইবারের স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং তার ভাই প্রবাসী হাবিবুল্লাহ চৌধুরী কাপাসিয়া থানাধীন গত ২০১৯ সালে বাসির উদ্দিনের পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে মালিকানাধীন এবং তার নিজ নামে ক্রয়কৃত জমি কিনেন। মাটি কাটা মৌজায় এস,এ খতিয়ান নং ১৭৩ আর,এস খতিয়ান নং ৩৬৯ এস,এ দাগ নং ১৩৪৩ ও ১৩৪৪ আর এস নং ৩৮২০ ও ৩৮১৯ এর কাছে ০ দশমিক ৪৭২৫ শতাংশ সম্পত্তি পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে মালিক হইয়া সম্পত্তিতে বিভিন্ন গাছ লাগানো হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার জোরে ওই সম্পত্তি জবরদখল করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত পায়তারা করছে সুমনগংরা।এবং কিছু অংশ জমি জোড় করে জবর দখল করেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জানান বিষয়টি আমি এ্যসিল্যান্ডের কাছে জানাতে গেলে । এসি ল্যান্ডের অফিস সহকারী সোলেমান তার ছেলে সুমনকে ফোন দিলে , সুমন তার দলবল নিয়ে এ্যসিল্যান্ড অফিসে এসে হাবিবুল্লাহ চৌধুরীকে এ্যাসিল্যন্ডের সামনে গালিগালাজ ও হুমকি দেয় যে , কখনও এ্যাসিল্যান্ড অফিসে আসবি না। বিষয়টি এ্যাসিল্যান্ড অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা— কর্মচারীরা দেখেছে। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে । প্রায়ই হাবিবুল্লাহ চৌধুরীকে ভয় ভীতি ও প্রাননাশের হুমকি দেয় সুমন ও সোলেমান গংরা । এ বিষয়ে ইতালি প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা হাবিবুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন , আমি আমার স্ত্রী—সন্তানদের নিয়ে ইতালি বসবাস করি, বছরে দু—এক বার দেশে আসি। প্রবাসে থাকলেও আমাদের মন পড়ে থাকে আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের দিকে। মাঝে মাঝেই টাকা খরচ করে দেশে আসি অথচ দেশের কিছু সরকারি কর্মচারীর অত্যাচারে এদেশে আশা সম্ভব হবে কিনা জানিনা। আমাকে প্রাননাসের হুমকি এবং দেশে আসতে নিষেধ করছে সুমনগংরা। এ বিষয়ে আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার দিয়েছি , নির্বাচনের কারণে তারা সময় নিয়েছে অথচ গত ২৪—০১—২৪ তারিখ সকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হইয়া বেআইনিভাবে আমার সম্পত্তিতে প্রবেশ করিয়া আমার গাছ কেটে ফেলে। যার আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা যা ক্ষতি সাধন করে। খবর পেয়ে আমি বাধা দিলে আমাকে হত্যার হুমকি এবং দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ দেওয়ার চেষ্টা করে আমি সরে গেলে প্রাণে রক্ষা পাই। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ১/ মোহাম্মদ সোলায়মান ২/ মোঃ সুমন ৩/ মোছাম্মৎ অজুফা সহ নাম না জানা ভারাটে সন্ত্রাসীরা আমাকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে আমার ভাই ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান নূর কাপাসিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। কাপাসিয়া থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে মামলা নিবে বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সুমন এবং সোলেমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন কথা বলবেন না বলে জানান। সূত্রে আরো জানাযায় সোলেমান ও তার পুত্র সরকারি ত্রানের টিন আত্যসাৎ করে নিজে ১ তলা টিনসেড বাড়ি তৈরী করেছে। কাপাসিয়া উপজেলায় নামে বেনামে বিভিন্ন জায়গায় জমি ক্রয় করেছে । সোলায়মান এতোটাই লোভী তার আপন চাচাকেও ছাড় দেয়নি। তার চাচা ওহাব আলীর জমি জালজালিয়াতি করে জবরদখল ও নি:স্ব করেছে। ত্রানের টিন দিয়ে বাড়ি বানানো বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে , তিনি তদন্ত করে ব্যবস্থ্যা নিবে বলে আস্বস্ত করেন। এ বিষয় ভুক্তভোগী রেমিটেন্স যোদ্ধা প্রবাসী হাবীবুল্লাহ চৌধুরী জনপ্রশাষন প্রতিমন্ত্রি , জনপ্রশাষন সচিব, আইনমনন্ত্রী , আইন সচীব, ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুধক) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন জানা গেছে।
—
The Daily Swadhin Sangbad