
ই-অরেঞ্জের মালিকদের জেলে বন্দি না রেখে বিশেষ নজরদারীতে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া উচিত তাতে ভোক্তাদের দুর্ভোগ থাকবে না। ই’কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের টাকা পরিশোধ করে আবারো ঘুরে দাড়াতে চান প্রতিষ্ঠনটি।
রিপোর্ট : এস আই সাগর চৌধুরী-ভোলা।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও পুরাতন মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমান – ই অরেনজ এর মালিকানা ফেরত নিতে চান, প্রতিষঠানটি আবার চালু করতে চান ও গ্রাহকদের পাওনা টাকা ফেরত প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করতে চান। এই কাজগুলো করা যাবে যদি তারা জামিনে মুক্তি পান। গ্রাহকদের সকল দেনা পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া যাবে এই মর্মেও তারা আস্বস্ত করেছেন। আজ দুপুরে মহানগর দায়রা জজ আদালত চত্ত্বরে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের আইনজীবী মোঃ শামসুল হুদা।
এসময় আইনজীবী জানান, যেহেতু প্রতিষ্ঠানটির পুরাতন মালিক সোনিয়া মেহজাবিন এই মুহূর্তে কারাগারে রয়েছেন এবং তার সমমতি ক্রমে, তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে ই-অরেঞ্জের মালিকানা ফেরত নিয়ে সকল সন্মানিত গ্রাহকদের পাওনা টাকা বুঝিয়ে দিবেন এবং গ্রাহকদের সাথে নিয়ে পুনরায় আবার ব্যবসা পরিচালনা শুরু করবেন। এইমমে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপত সচিব মহোদয়কেও সোনিয়া তার আইনজীবীর মাধ্যমে মালিকানা ফেরত ও ব্যাবসায় চালু করার অনুমতি চেয়েছেন। বানিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে মালিকানা সমাধান করতে বলা হয়েছে। সবোপরি সোনিয়া ও মাসুকুর এর জামিনের মাধ্যমে এটার সমাধান। তারা আটক থাকলে কোনো সমাধান আসার সুযোগ থাকছে না। গ্রাহকদের হাহাকার বাড়তেই থাকবে।
ব্যবসা পরিচালনায় যেসকল বিষয়ে আইনী জটিলতা রয়েছে সেগুলো তিনি আইনগত ভাবে সমাধান করে সামনে অগ্রসর হবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, যেহেতু নতুন মালিক কাজ করছেন না, তাই সোনিয়া মেহজাবিন ও মাসুকুর কে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি ও মালিকানা ফেরতের প্রদানের মাধ্যমে ই-অরেনজ সমাধানের একটা প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। গ্রাহকদের অথ ফেরত পাবার সম্ভাবনা ও সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এসময় কয়েকজন গ্রাহক জানান, গেলো ৩ বছর যাবত ই-অরেঞ্জের গ্রাহকরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। নানান সমস্যার পরেও অনেক ই’কমার্স প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের টাকা বুঝিয়ে দিয়েছে। এবং তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করছেন। কিন্তু ই-অরেঞ্জের গ্রাহকরা তাদের টাকা বুঝিয়ে পায়নি। তাই অতিসত্বর ই-অরেঞ্জের সকল ঝামেলা মিটিয়ে গ্রাহকদের টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হোক। এতে যদি মালিক পক্ষকে নজরদারিতে রেখে জামিন দেওয়া যায় তাহলে গ্রাহকদের টাকা পেতে সুবিধা হয়। এই মুহূর্তে সকল গ্রাহকদের একটায় দাবী যেকোনো মুল্যে আমাদের পাওনা ফেরত দিতে হবে।