1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

বিপরীত চিত্র মোহাম্মদপুর ঢাকা পশ্চিম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭৮ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার 

পাসপোর্ট অফিস মানেই ভোগান্তি, দালাল ছাড়া গেলেই হয়রানী, অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া এমন ধারনা জন্ম নিয়েছে সবার মাঝে কিন্তু বিপরীত চিত্র মোহাম্মদপুর ঢাকা পশ্চিম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের। বর্তমানে এই অফিসে কোন প্রকারের হয়রানী, বিড়ম্বনা আর ভোগান্তি ছাড়াই মিলছে উন্নত মানের সেবা। উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে মোহাম্মদপুর ঢাকা পশ্চিম পাসপোর্ট অফিসের দৃশ্যপট পাল্টে সেবাগ্রহীতাদের মাঝে পাসপোর্ট অফিস সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনার জন্ম দিয়েছেন বর্তমান কর্মরত উপপরিচালক মেহেদী হাসান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের দালালদের ঘিরে থাকা পাসপোর্ট অফিসের গেইট সম্পন্ন ফাঁকা। সেবাগ্রহীতারা নিজেদের ইচ্ছে মাফিক যাতায়াত করছেন। ভিতরে লাইনে দাঁড়িয়ে সেবাগ্রহীতারা বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করছেন। কারো কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা, কেউ কি কোন কাজ করার নামে টাকা পয়সার দাবী করছে কিনা এরকম সমস্যার কথা জানতে পাসপোর্ট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান নিজেই অফিসের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা সেবাগ্রহিতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কোন কক্ষের কাজ কেমন চলছে নিজেই ঘুরে ঘুরে তা পরিদর্শন করছেন। তবে অফিসে জনবল সংকটের কারণে কয়েক জনের কাজ ৯জন কে দিয়ে করতে হচ্ছে।

এছাড়া বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং সার্ভারের নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে অনেক সময় সেবাগ্রহিতাদের কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়। আবার প্রতিটি বিভাগে সেবাগ্রহিতাদের সংখ্যার বৃদ্ধির সঙ্গে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক সময় একটু অপেক্ষা করতে হয়। অপরদিকে অফিস শুরুর পর থেকেই কর্মকর্তার পরামর্শ ও সহযোগিতা নেওয়ার জন্য কক্ষের মধ্যে একাধিক সেবাগ্রহিতাদের প্রবেশ করে সেবা দিচ্ছেন কর্মকর্তা। একটি বিষয় যদি কেউ বুঝতে না পারেন তা বার বার বুঝিয়ে দেওয়ার চেস্টা করছেন কর্মকর্তা। অথচ আগে কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশের জন্য দালালদের মাধ্যমে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে যে কেউ যে কোন সময় কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে সেবা নিতে পারছেন। পাসপোর্ট অফিসের এমন দৃশ্য প্রতিনিয়তই চোখে পড়ার মতো। যার কারণে বর্তমানে  ‍মোহাম্মদপুর পাসপোর্ট অফিসে সেবার মান অনেকটাই বেড়েছে বলে জানান সেবাগ্রহিতারা। সেবা গ্রহীতা আলম বলেন, এক সময় পাসপোর্ট অফিসে দালালদের সহযোগিতা ছাড়া পাসপোর্ট করানো যেতো না। বর্তমানে দালাল ছাড়াই পাসপোর্ট করা যাচ্ছে। বর্তমানে যে কেউ স্যারের রুমে গিয়ে সেবা নিতে পারছেন। এখন পাসপোর্ট অফিসের সেবা প্রদান অত্যন্ত ভালো।

মোহাম্মদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, জনগুরুত্বপূর্ন এই অফিসটিকে জনবান্ধব করতে আমি সব সময় চেস্টা করে আসছি। এটি এমন এক অফিস সেখানে প্রতিদিন সমাজের নিচু থেকে উচু সকল শ্রেণির মানুষকে আমাদের সেবা দিতে হয়। তাই কেউ একটি বিষয়ে সহজে বুঝতে পারেন আবার অনেককেই একটি বিষয় বার বার সহজ করে বুঝিয়ে দিতে হয় এটাই তো এই অফিসের দায়িত্বরত সকলের প্রধান দায়িত্ব। বিরক্ত হয়ে কাউকে কটু কথার মাধ্যমে কষ্ট দিলে পরে তা আমার বুকের মধ্যে প্রচন্ড ব্যথা দেয় তাই আমি সাধ্যমতো চেস্টা করি আমার কাছে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা শত শত সেবাগ্রহিতাদের একটু ভালোবাসার মাধ্যমে সেবা দিতে। এছাড়া আমি আমার কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিনিয়তই পুরো অফিসটি পর্যবেক্ষন করার চেস্টা করি। কোথাও কোন ভিড় চোখে পড়লে আমি নিজে সেখানে গিয়ে সমস্যা

সমাধান করার চেস্টা করি। এছাড়াও আমি প্রতিদিন কোন এক সময় পুরো অফিসের সকল কিছু সরেজমিনে গিয়ে পর্যবেক্ষন করি। তিনি আরো বলেন, এই অফিসে যোগদানের পর থেকেই অফিসটিকে দালাল মুক্ত করে ভোগান্তি আর হয়রানী বিহীন সেবা প্রদানের এক আদর্শ জায়গা হিসেবে তৈরিতে কাজ করে আসছেন। তবে অনেক মানুষই ভয়ে অফিসে না এসে অন্য মানুষদের প্ররোচনায় পড়ে বেশি টাকা খরচ করেন। তাই আমি এলাকাবাসীর কাছে একটি বার্তা পৌছে দিতে চাই যে পাসপোর্ট সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে যে কোন মানুষ সরাসরি আমার কক্ষে চলে আসবেন। কাউকে তেল মাখাতে হবে না, কাউকে ধরতে হবে না কাউকে একটি টাকা কিংবা এককাপ চা-ও খাওয়াতে হবে না। সরকারি অফিসে যে কোন মানুষ এসে ভোগান্তি, হয়রানী ও বিড়ম্বনা ছাড়াই সেবা পেতে পারেন সেই ধারা এবং ধারনাটি আমি এই পাসপোর্ট অফিসে প্রতিষ্ঠা করে যেতে চাই। তবে দিন দিন পাসপোর্টের চাহিদা যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই ক্ষেত্রে জনবল সংকট পূরণ করা গেলে এই সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি