

স্টাফ রিপোর্টার:
চট্টগ্রামের যেমন সুনাম আছে তেমনি আছে বদনাম। চট্টগ্রাম শহরকে আধুনিক উন্নত মানের শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ব্যক্তিরা।অথচ চট্টগ্রামের বদনাম করার জন্য কতিপয় কুচক্রী মহল দেধারছে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক বাণিজ্য। এদের মধ্যে অন্যতম কথিত আবাসিক হোটেলের মালিকরা। এরকমই চট্টগ্রামের বাকুলিয়া থানা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত গ্রিন সিটি আবাসিক হোটেলের নামে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক বাণিজ্য। এ বিষয়ে গ্রীন সিটি আবাসিক হোটেলের কথিত ম্যানেজার মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন গ্রীন সিটি জন্মই হয়েছে অসামাজিক ও মাদক বাণিজ্যের জন্য। তারা গর্ব করে বলেন প্রশাসনের সব জায়গা ম্যানেজ করে এই ব্যবসা করছি। তারা আরো বলেন এই এলাকায় ডিবির ক্যাশিয়ার আছে, র্যাবের ক্যাশিয়ার আছে পুলিশের ক্যাশিয়ার আছে। এসব ক্যাশিয়াররা আমাদের এসব আবাসিক হোটেল আছে। তারা বলছে কারো পাত্তা দিবেন না। কেউ তো আর আপনাদের আবাসিক হোটেল অভিযান চালাতে পারবে না অভিযান চালাতে হলে লাগবে প্রশাসন, প্রশাসন না আসলেইতো হলো। গ্রীন আবাসিক হোটেলের মালিক পরিচয় দানকারী বলেন আপনারা যদি কিছু জানতে চান তাহলে ওইসব ক্যাশিয়ারদের সাথে আলোচনা করেন তারা যা বলবে আমরা তাই করব । এ বিষয়ে বাকুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। কথিত ক্যাশিয়ারদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুধু গ্রীন সিটি নয় এরকম লিগ্যাল প্যালেস আবাসিক হোটেল ঐশী সহ অনেক জায়গায়ই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক বাণিজ্য। মাঝে মাঝে পুলিশ অভিযান চালায় কিছু পতিতাদেরকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ একদিকে চলে যায় অন্যদিকে আবারও জমজামাট ব্যবসা শুরু হয়। এসব অবৈধ ব্যবসা চিরতরে বন্ধ করার জন্য কাজ করতে হবে প্রশাসন সহ চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষদের। চট্টগ্রামের রয়েছে সুনাম ও ঐতিহ্য, এসব সুনাম ও ঐতিহ্য কোনমতে নষ্ট করা যাবে না।