
নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢাকা ১৮ আসনে জ্বলন্ত হয়ে উঠেছেন এক রাজনীতিবিদ। গত প্রায় পাঁচ যুগ ধরে আওয়ামী লীগ এর সাথে জড়িত। রাজনীতির সাথে সম্পর্ক থেকে দলকে করেছে সুসঙ্গত সেই সাথে করেছেন জনসেবা। দিনে দিনে হাজারো মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। মহামারি করোনায় ফন্ট লাইনে থেকে করেছে মানব সেবা। তিনি অর্জিত অর্থ বিলিয়েছেন সাধারন মানুষের মাঝে। বর্তমান ঢাকা ১৮ আসনে জনপিশতার করলে জননন্দিত হয়ে উঠেছেন আলহাজ্ব মোঃ নাজিম উদ্দিন।

১৯৭৭ থেকে ৮১ সন পর্যন্ত কলেজের ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আওলাদ নাজিম পরিষদ থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অংশগ্রহণ ১৯৮২ সাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শাখা ঢাকা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন ১৯৮৮ সাল রিসার্চ কনসালটেন্ট বিআইডিএস হিসাবে দায়িত্ব পালন ১৯৮৮ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত উত্তরা থানা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটার বিহীন নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে মিথ্যা মামলা হয়রানির শিকার হওয়া১৯ ৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত উত্তরখান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দায়িত্ব পালন ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন ২০১৬ হতে অদ্মাবতী ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন ২০১৬ হতে অর্থবতী দায়িত্ব পালন ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউতে ভয়াবহ গেনেট হামলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ অগণিত নেতাকমীর সাথে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে ঢাকার হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতাল ও চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল দীর্ঘ সময় চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরে আসা মোঃ নাজিম উদ্দিন পিতা মরহুম আব্দুল মালেক মাথা রোজিয়া খাতুন গ্রাম বাওথার গ্রামের সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। পিতা আবদুল মালেক ছিলেন আওয়ামী লীগ ঘরানার মানুষ শিক্ষা জিবনের শুরু উত্তরখান হাইস্কুল থেকে১৯৭৭ সরকারী তিতুমীর কলেজ বি এ অনার্য পাশ করেন আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন বলেন ১৯৭৩ সালে ঢাকা পাঁচ বর্তমান ১৮ সংসদ সদস্য হন হোসেন ১৯৮৯ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার এম হামিদুল্লাহ খান উনাদের বর্তমান ঢাকা ১৮ আসনে অর্থাৎ বৃহত্তর উত্তরা থানার তেমন কেউ চিনতেন না পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতউল্লাহ ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ১৯-৯১ সালে সংসদ সদসহ বেগম খালেদা জিয়া তখন বৃহত্তর উত্তরা ঢাকা থেকে একরকম বিচ্ছিন্ন ছিল এই বিদায় এই উত্তরা কেমন উন্নতি হয়নি এমন কি বৃহত্তর উত্তরায় হলিউডের ভিতরে এমন শিক্ষিত লোক ছিলেন না বর্তমানে ঢাকা ১৮ আসনে অনেক শিক্ষিত এমনকি সংসদ সদস্য ওর মতো যোগ্যতা রাখে তাই মানব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন আমরা স্থানীয় যারা আছি আমাদের ভিতরে আপনি যার পছন্দ হয় তাকেই নমিনেশন দেন আমরা তার হয়ে কাজ করব তাহলে এলাকার এবং জনগণ উপকার এবং উন্নতি হবে
আলহাজ্ব মোঃনাজিমুদ্দিন আরো বলেন এ ম পি পদবাদী ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ তিনি বলেন ,পৃথিবীর ইতিহাসে অদম্য মনোবলে বর দেশ থেকে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করেছেন যে মহান ব্যক্তিত্ব তিনিই বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু হয়তো যেভাবে চেয়েছিলেন তাই সেই সকল অসমাপ্ত কাজগুলো একের পর এক নিরবচ্ছিন্ন ভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে এবং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিবেদিত প্রাণে নিরলসভাবে নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন বিশ্বনেতা আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গরত্ন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অবদানে আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে নিজ যোগ্যতা অর্জনে বাংলাদেশের নাম সর্বত্রই বিরাজমান।
সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল, কীভাবে? তখন তো গ্যাস বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তাহলে এখন তারা দেশ বিক্রি করবে, নাকি সেন্ট মার্টিন বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়? তিনি দৃঢ়তার সাথে আরো বলেন, ‘আমি এতটুকু বলতে পারি, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা, আমার হাত থেকে এই দেশের কোনো সম্পদ কারও কাছে বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে চাই না। ওই গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিলে আমিও ক্ষমতায় থাকতে পারতাম। আর এখনো যদি আমি বলি, ওই সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বা আমাদের দেশ কাউকে লিজ দেব, তাহলে আমাদের ক্ষমতায় থাকতে কোনো অসুবিধা নেই। আমি জানি সেটা। কিন্তু আমার দ্বারা সেটি হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিরোধী দলের এখন নানা প্রস্তাব, এখন তারা আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে খালেদা জিয়ার (বিএনপি চেয়ারপারসন) উক্তি ছিল, ‘পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নাই’। একবার যেটা তারাই বাদ দিয়েছে এবং এই পদ্ধতি তারাই নষ্ট করেছে। তারাই রাখেনি, সেটাকে আবার তারা ফেরত চাইছে। অথচ উচ্চ আদালতের রায় আছে এবং সেই মোতাবেক সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে যে একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান আরেকজন নির্বাচিত সরকারপ্রধান দ্বারাই প্রতিস্থাপিত হবেন। এর বাইরে অনির্বাচিত কেউ আসতে পারবে না। এটা উচ্চ আদালতের রায়ে আছে, সংবিধানেও আছে।
এটা জানার পরও সাংবিধানিক জটিলতার সৃষ্টি কেন করা হচ্ছে—এই প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তার মানে এই যে গণতান্ত্রিক ধারাটাকে নষ্ট করা। এই যে দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর বাংলাদেশ সুষ্ঠুভাবে চলছে, আর্থসামাজিক উন্নতি করছে, সেটিকে নষ্ট করা। দেশবাসী এটিকে কীভাবে নেবেন, সেটাই প্রশ্ন। তাঁরা কি গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা চান, অর্থনৈতিক উন্নতি চান, দেশের মানুষের কল্যাণ হোক সেটা চান, নাকি আবার সেই ২০০৭ সালের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আবার সেই জরুরি অবস্থা, ধরপাকড় সেগুলো চায়—সেটা দেশের মানুষকেই বিবেচনা করতে হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আরো বলেন, নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি-জামায়াত যেভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি পুড়িয়েছে, তিন হাজারের ওপরে মানুষকে পুড়িয়েছে। কত মানুষ পঙ্গু হয়ে আছে, কত পরিবার ধ্বংস হয়ে আছে। জ্বালাও-পোড়াও করে মানুষের ক্ষতিগুলো করে দিয়েছিল তারা, সেটা মানুষ এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাবে?
ক্ষমতার মসনদে আসীন হতে বি এন পি। দেশকে নিয়ে যড়যন্ত্র, দেশ ধ্বংসের নীলনকশা, দেশের মানুষের ক্ষতি করতে এমন ভুড়িভুড়ি নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত রয়েছে বি এন পির। আর তাদের প্রতিটি কুপরিকল্পনা দেরিতে হলেও অনুধাবন করতে পারেন আমাদের চৌকস দেশপ্রেমিক প্রধানমন্ত্রী বঙ্গরত্ন শেখ হাসিনা। যা শক্ত হাতে প্রতিহত করে আসছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হারাবার কিছুই নাই। কেননা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালো রাত্রিতে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল সদস্যকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। মহান আল্লাহ তায়ালার রহমতে বেচে গেছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহেনা। পরিবারের সকলকে হারিয়েও সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আজ দেশের মানুষের কল্যাণে, দেশের মানুষের জন্যে বুনে যাওয়া বাবার সকল স্বপ্ন এক এক করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন মানুষের কল্যাণে। আজকের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বহুবার হত্যার পরিকল্পনা করেও সেই খুনি জিয়ার উত্তরসূরীরা সফল হতে পারেন নাই। তারা আজো বিভিন্ন ভাবে বিতর্কিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে ঈর্ষান্বিত হয়ে সকল উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করতে বি এন পি একের পর এক কু পরিকল্পনা করেই যাচ্ছেন। অতীতে বি এন পি ক্ষমতায় এসেছিলো ১ কোটি ২৯ লক্ষ ভূয়া ভোটার বানিয়ে নির্বাচনে জিতেছিলো।
যেখানে প্রবৃদ্ধি থেকে মাথাপিছু আয়, পদ্মা সেতু থেকে বঙ্গবন্ধু টানেল, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তর; এসব কিছুই যার কারিশমেটিক নেতৃত্ব অর্জন তিনি দূরদর্শী বিচক্ষণ এক বিশ্বনেতা বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। তিনি এখন আর শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন, সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়ে সমীহ পান পুরো বিশ্বের। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশকে যেভাবে বদলে দিয়েছেন তাই তাকে বলা হচ্ছে ‘দ্য বাংলাদেশ মডেল’।
শেখ হাসিনার দূরদর্শি নেতৃত্বে এক দশক ধরে, পুরো বিশ্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির অভূতপূর্ব অগ্রগতি