
গাজীপুরের পূবাইলে পারিবারিক কলহে থানায় অভিযোগ
খসরু মৃধা
পূবাইল থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানাধীন ৪২ নং ওয়ার্ডের তালটিয়া এলাকার মোসাঃ মর্জিনা আক্তার (৩৫) ,পিতা মৃত আবু বক্কর, মাতা মোসাঃ রহিমা খাতুন, স্বামী মোঃ মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে অভিযোগ করেন যে, বিবাদী গং গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানাধীন ৪২ নং ওয়ার্ডের ১.মোসাঃ শায়লা (২২) স্বামী মোঃ ফয়সাল পাঠান, ২.মোঃ ফয়সাল পাঠান, পিতা -মোবারক হোসেন পাঠান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে ১ নং বিবাদী শায়লা সম্পর্কে ভাতিজা এবং ২ নং বিবাদী ভাতিজা। ১ নং বিবাদীর মেয়ে রোজা (০১) এর শরীরে চুলকানি হওয়ায় তারা কোন চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে বিষয়টি আমাদের সকলের কাছে খারাপ লাগায় আমার ছেলে মাহিদুল ইসলাম (১৯) ১৪/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল ১১ ঘটিকায় পূবাইল থানাধীন সাকিনস্থ আমার নিজ বাড়ির উঠানে ০১ নং বিবাদীকে বলে রোজার ভাল ডাক্তার দেখাইয়া চিকিৎসা করান না কেন। তখন ০১ নং বিবাদী উক্ত বিষয় নানিয়া বিতর্কিত করিয়া আমার ছেলেকে এলোপাথারি কিল ঘুষি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে এবং কাঠের চেলি দিয়ে আঘাত করিয়া নিলাফুলা জখম করে। আমি প্রতিবাদ করিলে ০১ নং বিবাদী মোসাঃ শায়লা আমার চুলের মুঠি ধরিয়া টানা হেচড় করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি চড় থাপ্পর ও ঘুসি মারিয়া নীলা ফুলা জখম করে এবং ঘটনার বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিলে আমাকে সহ আমার পরিবারের সদস্যদের খুন করিবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করে। পাশাপাশি সামান্য ঝগড়াঝাটি হইলে ১ নং বিবাদী উগ্র মেজাজ দেখিয়া নিজে নিজে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। ২ নং বিবাদী পুলিশ সদস্য হওয়ায় ০১ নং বিবাদী প্রায় সময় ০২ নং বিবাদী ক্ষমতার দাপট দেখান। এ বিষয়ে ০২ নং বিবাদী ০১ নং বিবাদীকে শাসন বারন না করিয়া উস্কানি দিয়া থাকে। উক্ত ঘটনায় আমি অসুস্থ হইলে আমার পরিবারের লোকজন দ্রুত শহীদ তাজউদ্দিন আহম্মদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাজীপুর নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করি। আমার চিকিৎসা রেজিঃ নং-২৭৯৬/১৭, আমার ছেলের চিকিৎসা রেজিঃ নং-২৭৯৭/১৮, উভয় তারিখ-১৪/০৪/২০২৬ খ্রিঃ । এলাকার সূত্রে জানা গেছে যে, বিবাদী গন পুলিশের ক্ষমতা দেখিয়ে প্রায় সময়ই বয় ভীতি প্রদর্শন করে বলে জানা যায়। ০২ নং বিবাদী ফয়সাল পাঠানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে পূবাইল থানায় বসে বিষয়টি মীমাংসা হবে।