1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬০ বার দেখা হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক শারমিন আক্তার ঃ গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কেরানি ও মোঃ আলমগীর হোসেন ওমেদার সিন্ডিকেট ঘিরে রেখেছেন কালিগঞ্জ  সাব রেজিস্ট্রি অফিস তাদের ইশারায় চলে সকল দলিল তাদেরকে সাব রেজিস্টারের টেবিলের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে  সাব রেজিস্টার কে ইসারা দিয়ে দলিল সম্পাদন করান মোটা অংকের টাকার বিনিময় তাহারবাগ সাফ রেজিস্টার পেয়ে থাকেন সর্বশেষে হিসেব হয় কয়টা দলিল হয়েছে সেই অনুযায়ী বাগ বন্টন করে থাকেন যার কারণে দুর্নীতির আখরায় পরিণত হচ্ছে কালিগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রিঅফিস অভিযোগ রয়েছে মহিলার কেরানির সাথের টেবিলের নকল দেওয়ার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন  তিনি অনেককেই নাকি মাসোহারা দেন অভিযোগ রয়েছে পিয়ন এর বিরুদ্ধে  বেশি সময় ধরে এখানে রয়েছেন বয়াল তবিয়তে সেপিয়ন হলেও তাকে কেউ বুঝতে পারেনি যে সে এখানকার পিয়ন সবসময় খাস কামরার ভিতরে তাকেও অবস্থান করতে দেখা যায়ক্রেতা বিক্রেতাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ সবকিছুর মূলহোতা কেরানী  ও আলমগীর সবাইকে ম্যানেজ করেই তিনি কার্যক্রম চালাচ্ছেন। গোটা কালিগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে তিনিই অঘোষিত রাজা ও চাঁদাবাজ । সন্ত্রাসীদের দিয়ে কালিগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে তিনি কায়েম করেছেন অনিয়ম দূর্নীতির রাজত্ব। ১ লাখ টাকায় ১০,৫০০ থেকে ১১,৫০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং  কেরানীর নেতৃত্বে এসব চলছে ।এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে  সাব রেজিস্ট্রি অফিস এর কেরানি ও আলমগীর বলেন আমরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চলি এবং আমাদের উপরে কর্মকর্তাদেরকে আমরা ম্যানেজ করি । উপরের কর্মকর্তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে ওরা বলে , কোনো অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়না। এলাকায় জমি রেজিস্ট্রির জন্য ১ লক্ষ টাকার দলিলের জন্য সরকার নির্ধারিত টাকা নেওয়া হয় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে  সাব–রেজিস্ট্রিারার বলেন, আমি এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকার নেওয়ার বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, কেউ অতিরিক্ত টাকা চাইলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি ব্যবস্থা নেব। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নিধার্রিত খরচের বাইরে কেউ অতিরিক্ত টাকা নিলে প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে  রেকর্ড রুমে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য চলছেই। কর্মকর্তাদের ভাগাভাগি নীতিতে বাড়ছে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কঠোর না হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ। রেকর্ড রুমের দায়িত্বে থাকা  সাব-রেজিস্ট্রার দলিলের সইমোহর নকল তোলার রেকর্ড রুম। সেবাপ্রার্থীরা নকল তুলতে তল্লাশিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ২০ টাকার কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প দিয়ে আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে রেকর্ড কিপারের কাছে প্রতি নকলে জমা দিতে হয় ১৩৫০ টাকা।
জমির রেজিস্ট্রিকৃত মূল্য ও পাতা অনুযায়ী নকলপ্রতি গড়ে সরকার রাজস্ব পায় ৪০০-৫০০ টাকা। বাকি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ঘুষ হিসেবে রেকর্ড রুমে দৈনিক 100-200নকলের আবেদন জমা পড়ে। মাসে জমাকৃত আবেদনের সংখ্যা । নকলগুলো থেকে গড়ে ৮৫০ টাকা করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার বেশি ঘুষ আদায় করা হয়। স্বাক্ষর বাবদ নকলের সংখ্যা গুণে এই বিপুল টাকার বড় অংশ নেন সাব-রেজিস্ট্রার । বাকি টাকা রেকর্ড কিপারসহ অন্যদের মধ্যে পদ অনুযায়ী ভাগ-বাটোয়ারা হয়।
দলিল  নেতৃস্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার কে কেরানি ও আলমগীর মদদ দিচ্ছেন। বিনিময়ে তারা কিছু বাড়তি সুবিধা ভোগ করছেন। বিপরীতে কাটা পড়ছে জেলাবাসীর পকেট।তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন,  কীভাবে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন? যদি চিহ্নিত ব্যক্তির দুর্নীতি প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিতে না পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের কী উপকার হল? জনস্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।এ বিষয়ে জানতে,সাব রেজিষ্টার  কে একাধিক বার মুঠোফোন ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভি করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি