
ঢাকাহ্য উত্তর সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল এক উত্তরা অফিসে জন্ম নিবন্ধন শাখা তানিয়া পারভিন ও কর্মচারী রিয়াজের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ জন্ম নিবন্ধন করতে আসা মানুষদের কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ভুল বলে ফিরিয়ে দিচ্ছেন বারবার এমনই অভিযোগ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে রিয়াজের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের দিকেও তেড়ে আসেন তানিয়া ও রিয়াজ তার অতিরিক্ত টাকা আদায়ের চিত্র গ্রহণের সময় এক সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তখন অন্য সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে মোবাইল ফিরিয়ে দেন এবং তাহার ধারণকৃত তথ্য ডিলিট করে দেনন্ম নিবন্ধন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের, যেখানে নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি টাকা আদায়, জাল সনদ তৈরি, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ও আউটসোর্স কর্মীদের মাধ্যমে হয়রানি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে এবংরাষ্ট্রীয় সেবার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।মূল সমস্যাগুলো হলো:অতিরিক্ত অর্থ আদায়: সরকারি নির্ধারিত ফি (২৫-৫০ টাকা) এর বাইরেও সনদ পেতে বা সংশোধনে দ্বিগুণ বা তারও বেশি টাকা চাওয়া হয়।জালিয়াতি ও অবৈধ চক্র: অনিয়মিত চক্র সক্রিয়, যারা সহজেই জাল জন্ম সনদ তৈরি করে দেয়, এমনকি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)-এর মতো জায়গায়ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত।ডাটা এন্ট্রি ও সার্ভার সমস্যা: ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের অদক্ষতা এবং আউটসোর্সিং কর্মীদের মাধ্যমে কাজ করানোর কারণে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়।অপ্রয়োজনীয় জটিলতা: জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাবা-মায়ের নিবন্ধন না থাকার অজুহাতে শিশুদের নিবন্ধন করতে হয়রানি করা হয়।ক্ষমতার অপব্যবহার: অনেক ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত।নতুন জন্ম সনদ প্রদানসনদ সংশোধনতথ্য আপলোডস্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।ডিজিটাল পদ্ধতির উন্নয়ন: অনলাইন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও নিরাপদ করা, যাতে দুর্নীতির সুযোগ কমে।জনসচেতনতা: নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যাতে তারা অতিরিক্ত অর্থ না দেন এবং নিয়ম মেনে চলেন।জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সার্ভার কেন এতো ঝুঁকিতে