1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

টাঙ্গাইল জেলার এডি মাহতাব উদ্দিন এর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ১৭২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

টাঙ্গাইল জেলার বিআরটিএ অফিসে দালালের মাধ্যমে ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না। সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে ঘুষ আদায় করে একটি দালাল চক্র। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় সময় অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে বিভিন্ন সময় একাধিক দালালদের আটক করে সাজা প্রদান করা হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় বিআরটিএ’র কর্মকর্তারা। চাকরি যাওয়ার ভয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে সরাসরি ঘুষ নেয় না। ঘুষ নেয় দালালদের মাধ্যমে।

এখানে বলে রাখা ভালো—দালালদের টাকা দিলে পরীক্ষা ছাড়াই অথবা নামমাত্র পরীক্ষায় যদি পাশ দেওয়া হয় তাহলে কী বোঝা যায়? পাশ অথবা ফেল করানো তো দালালরা পারে না। পাশ অথবা ফেল দেখাতে অবশ্যই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রয়োজন।

দালালদের মাধ্যমে টাকা দিলেই ড্রাইভিং লাইসেন্সের নতুন আবেদন কিংবা রিনিউ-এর আবেদন যাই হোক না কেন, তাদের পাশ করিয়ে দেওয়া হয়। আর দালালদের টাকা না দিলে তাদের দেখানো হয় ফেল।

টাঙ্গাইল জেলার বিআরটিএ এডি মাহতাব উদ্দিনের ইশারায় চলে নতুন ড্রাইভার পরীক্ষার্থী পাশ অথবা ফেল। ফিটনেস, রোড পারমিট, মালিকানা বদলি ও লাইসেন্স—সব কিছুই একা তদারকি করেন এই এডি মাহতাব উদ্দিন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, “দুই বার ভালো পরীক্ষা দেওয়ার পরেও আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে কারণ আমি দালালদের টাকা ঘুষ দিইনি। সামনে আবার পরীক্ষার নতুন তারিখ নিয়েছি, কী হবে আল্লাহ ভালো জানেন।”

মালিকানা বদলি করার জন্য একাধিক ব্যক্তি বারবার ঘুরে কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে মালিকানা বদলি করান। সবচেয়ে বেশি টাকা লুট করছে ফিটনেস ও রোড পারমিট দিয়ে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, “ঘুষ না দিলে দীর্ঘদিন ঘুরতে হয়, তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করাই।”

এ বিষয়ে বরিশাল জেলার বানারিপাড়ার বাসিন্দা এডি মাহতাব উদ্দিন বলেন, “কাজ করতে গেলে ভালো-মন্দ হবেই। আপনারা আমার অফিসে আসেন, কথা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি