
রাজউক মার্কেটের সামনে অবৈধ দোকান নিয়ন্ত্রণে সাবেক এমপির ঘনিষ্ঠ!
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে ছাত্র জনতার হত্যা কারীদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ও আওয়ামী দোসর এখনো উত্তরা আজমপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে রাজউক মার্কেট এর সভাপতি-সেক্রেটারি!। দেশ হাসিনা ও আওয়ালীগের দুঃশাসন মুক্ত হয়েছে এটা ঠিক কিন্তু এখনো যারা আওয়ামীলীগের দোসর এবং খুনি হাসিনার সমর্থক তাদেরকে এখনো পর্যন্ত যথাপোযুক্ত আইনে যে বিচারাধীন আওতায় এখনো আনা হয় নাই. এটা দুঃখজনক বৈকি। ঢাকা ১৮ আসনে যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেছে যারা সাবেক এমপি হাবিব হাসানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সেই ব্যবসায়ী নেতাদের রামরাজত্ব বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বর্তমানে, তারা এখনো তাদের স্বপদে বহাল আছে। উত্তরা আজমপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে রাজউক কর্মচারী কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স এর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ও সেক্রেটারি প্রিন্স এমনি দুজন। প্রকাশ্য রাজপথে ঢাকা ১৮ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি হাবিব হাসান তার ছোট ভাই আলাউদ্দিন আল সোহেল নেতৃত্বে ছিলো। অভিযোগ রয়েছে তাঁরা অস্র হাতে ছাত্র জনতার উপরে গুলিবর্ষণ করেছে। উত্তরার সবচেয়ে বেশি ছাত্র জনতা মারা গেছে রাজলক্ষি থেকে বিএনএস সেন্টার এর মধ্য। অভিযোগ রয়েছে রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স এর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ও সেক্রেটারি প্রিন্স হাবিব হাসান ও তার সাথে থাকা আওয়ামী নেতাকর্মীদের মধ্যে খাবার পানি বিতরন করেছে এবং ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে আসা ছাত্রলীগ/যুবলীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়েছে। এখন পর্যন্ত তাঁরা অধরাই রয়েছে, বহাল তবিয়তে প্রকাশেই সক্রিয় দেখা যায় মার্কেট ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হলে জানা গেছে। গ্রেফতার করে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবী। রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স এর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ও সেক্রেটারি প্রিন্স কে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি ছাত্র জনতা ও ব্যবসায়ী মহলের। অন্যদিকে ঘুরে দেখা যায়ঃ রাজউক মার্কেটের পিছনে, সামনে, আন্ডার গ্রান্ডে অবৈধভাবে দোকান গড়ে তুলেছে, রাজউকের নকশা বিহীন অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। মার্কেটের সামনে উত্তর দক্ষিণ মুখী রাস্তায় প্রতিটি দোকান অবৈধভাবে নির্মাণ করেছে, মার্কেটর পিছনে সারিবদ্ধ দোকান করেছে, মার্কেটের আন্ডার গ্রান্ডে গাড়ী পার্কিং স্থানে অবৈধভাবে গড়ে তুলেছে ছোট ছোট্ট দোকান। বিভিন্ন গণমাধ্যম তথ্য চিত্র অতীতে প্রকাশিত হয়েছে। রাজউক মার্কেটের নিচ তলায় দোকানদার জানান মার্কেটর নকশা ডিজাইন অনেক অত্যাধুনিক সুন্দর সেই ডিজাইন নেই!। মার্কেটর সামনে সাইটে রাস্তায় যত গুলো দোকান সব অবৈধভাবে গড়ে উঠা, নকশা বিহীন দোকানের কারনেই মার্কেটের পরিবেশ অনেক খারাপ!, রাজউকের চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন সিনিয়র কর্মকর্তাদের উচিৎ অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকান গুলো উচ্ছেদ করে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা। রাজউক মার্কেটের নিত তালার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স ও রতন অবৈধভাবে দোকান করে অবৈধভাবে যত টাকা বানিজ্য করেছে উক্ত টাকা সরকারি কোষা ঘরে জমা করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা, রাজউক চেয়ারম্যান সহ সকলের প্রতি দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। রাজউক মার্কেটের অফিস রুমে গিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য জানতে চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির উত্তরা জোন নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ হেলাল তালুকদার বলেন বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তী জানাবো।