
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমবায় সমিত অফিসের একাধিক কর্মকর্তার ঘুষ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে জর্জরিত ও প্রশ্নবিদ্ধ।
মোঃ মানিক মিয়াঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাস মবায় সমিতি এখন দুর্নীতির আতুরঘরে পরিণত হয়েছে–এমন অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতাদের পক্ষ থেকে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জেলা সমবায় অফিসের একাধিক কর্মকর্তা ঘুষ গ্রহণ করে একটি কুচক্রী মহলের সঙ্গে যোগসাজস করে বৈধ নির্বাচিত মৎস্যজীবি সমবায় সমিতিকে পরিকল্পিভাবে হয়রানি করছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে নাসিরনগর উপজেলার ২ নং ভলাকোট ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের খাগালিয়া পূর্ব মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডকে কেন্দ্র করে। অনুসন্ধানকালে উক্ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জেলা সমবায় অফিসের উপসহকারী নিবন্ধক মোঃ আলমগীর হোসেন, পরিদর্শক মোঃ বেলাল হোসেন, পরিদর্শক রোস্তম আলী এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা, নাসিরনগর দায়িত্বে ছিলেন। সমিতির একাধিক সদস্যের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, উক্ত সমিতির নির্বাচনের আগে ও পরে জেলা সমবায় অফিসের উপসহকারী নিবন্ধক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন দুইজন পরিদর্শককে নিয়ে সমিতির একটি পক্ষের সঙ্গে বায়েস্ট হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আরেকটি পক্ষ তথা বিনোদদাস ও গং সদস্যদের হয়রানি শুরু করেন। এডহক কমিটিতে থাকাকালে মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন সমিতির নামে ইজারাকৃত জলমহালের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার পক্ষের সদস্য দিয়ে ফিশিং কমিটি গঠন করে দেন। এর ফলে সমিতির সদস্যরা জলমহালে মাছ আহরণ করতে গিয়ে বাধা, হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়ে। এডহক কমিটির সভাপতি ও সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেনসহ তার নিযোগকৃত ফিশিং কমিটি মাছ ধরার হিসাব নির্বচিত কমিটির নিকট বুঝাইয়া দেন নাই। জলমহালের মাছ ধরার টাকা আত্মসাৎ করে বসে আছে এবং হিসাব না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করছে। একের পর এক ভয়ভীতি ও অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে বলে বিনোদ দাস জানান। এখানে জলমহালে মাছ দরার টাকা আত্মসাতের বিরাট অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো- নির্বাচনকালে জেলা সমবায় অফিসের পরিদর্শক মোঃ বেলা হোসেন বিনোদ দাসের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী পিযুস দাসের মনোনয়নপত্র বাতিলের ফি বাবদ এবং বিনোদ দাসের মনোনয়নপত্র বাতিলের হুমকি দিয়ে বিনোদ দাসের নিকট হতে ১৫০০০/- টাকা গ্রহণ করেছেন। টাকা প্রদানের বিষয়ে সমিতির একাধিক সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ দাস জানান, জেলা, বিভাগ ও কেন্দ্রীয় সমবায় দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করে আজও কোনো প্রতিকার পাই নাই।
অভিযোগ প্রসঙ্গে– উপসহকারী নিবন্ধক মোঃ আলমগীর হোসেন এবং পরিদর্শক মোঃ বেলাল হোসেন স্পষ্ট বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হন। পরিদর্শক মোঃ রোস্তম আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে সমবায় বিভাগের ব্যবস্থার ওপর সাধারণ