
বিএনপি নেতা কামালের,ছোট ভাই কাছথেকে ইস্পাতের চোরাই মাল উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার :
গাজীপুর মহানগরীর গাছা মেট্রো থানা পুলিশ রোববার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোর্ডবাজার মসজিদ রোড ভাঙ্গারি মার্কেট থেকে চোরাই লোহা ও ইস্পাতের ভিম উদ্ধার করেছে।
ইস্পাতের ভিম পিলার গুলো লেবাররা গ্যাস দিয়ে কেটে কেটে ছোট করছিলেন এ সময় ভাঙ্গারী দোকানদার রাজু ও শুভ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান । তাদের দোকান বন্ধ ছিল। উপস্থিত পাওয়া যায় চোরাই মালগুলো বিক্রেতা গাছা থানা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক কামালের ভাই দুলালকে।
দুলালের কাছ থেকে জানা যায় এবি এইচ হাইটেক সেন্টারের একাউন্টস শুভাশিস ভৌমিক এর কাছথেকে ক্রয় করে বিক্রয় করি, কিন্তু ক্রয় বিক্রয়ের কোন প্রমাণ দেখাতে পারে নাই দুলাল। এদিকে শুভাশিস ভৌমিক কে ফোন করলে তিনি জানান এই বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা,তবে কোম্পানির মাল লুটপাট করছে একটি মহল।
গাছা থানা পুলিশ পরিদর্শক এসআই কাজল জানান এই মালামাল গুলো গতরাতে ভাঙ্গারী মার্কেটে আনাহয়। আমরা খবর পেয়ে এসে দেখি গ্যাস দিয়ে কাটা হচ্ছে। এগুলোর কোনো ক্রয়বিক্রয়ের ডকুমেন্টস দেখাতে পারে নাই হাইটেক কোম্পানির একাউন্টস বিক্রি করছে দুলাল দাবি করলেও কিছুই জানেনা দাবি করলেন এবি এইচ হাইটেক সেন্টারের একাউন্টস শুভাশিস ভৌমিক।
এসআই কাজল আরও জানান কোম্পানির মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন ইস্পাতের ভিম পিলার গুলো বিক্রি হয়নাই চুরি ও লুটপাট হয়েছে। আরও কয়েক বার আমার কোটি টাকার মাল চুরি ও লুটপাট করা হয়েছে, আপনারা আইনগত ব্যবস্থা নিন। আমরা মালগুলো দুলাল সহ থানায় নিয়ে যাচ্ছি আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন। গাছা থানা বিএনপির বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক কামাল এর ভাই দুলাল স্বীকার করে বলেন আরো চারবার এই মাল বিক্রি করেছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাক্তি জানান বিএনপি নেতা কামালের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার ভাই ও নিকট আত্মীয়দের মাধ্যমে এভাবেই ৫ তারিখের পর থেকে দখল, চুরি, লুটপাট, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ যেন মগের মুল্লুক দেশটাকে বানিয়েছে তারা এদের বিচারের আওতায় না আনা হলে দেশের পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে, তাই আমরা এদের সঠিক বিচার দাবি করি। এছাড়াও গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মোহাম্মদ রাশেদ তার সাথে রয়েছে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা কামালের সখ্যতা, বিএনপি রাজনীতি করে এমন কেউ যদি অপরাধে যুক্ত থাকে তাদেরকে আইনের আওতায় না এনে উল্টো যারা অভিযোগ দিতে আসে বিএনপি নেতাদের নামে তাদেরকেই ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা করেন এই গাছা থানার ওসি, অথচ থানার ওসি হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, দেশের জনগণের দেখভাল করার দায়িত্ব হলো পুলিশের, থানার অফিসার ইনচার্জ আর অপরাধীদের মধ্য সুসম্পর্ক থাকা কতটা যৌক্তিক এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।