1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

বনানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে বাধ্যতামূলক যৌনবৃত্তি, ০৭ জন অপ্রাপ্ত বয়স্কসহ ১২ জন

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ বার দেখা হয়েছে

বনানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে বাধ্যতামূলক যৌনবৃত্তি, ০৭ জন অপ্রাপ্ত বয়স্কসহ ১২ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করলো সিআইডি, মানব পাচার চক্রের ০৬ সদস্য আটক

দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে অল্প বয়স্ক নারীদের ঢাকায় এনে বাধ্যতামূলকভাবে যৌনবৃত্তিতে নিয়োগ করার অভিযোগে ০৬ জনকে আটক করেছে সিআইডি। সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট গত ১০/১২/২০২৫ খ্রি. তারিখ ১৫:৩০ ঘটিকায় বনানী ‘রিলাক জোন বিউটি পার্লার এন্ড সেলুন’ এ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি ১২ জন ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ০৭ জনই অপ্রাপ্ত বয়স্ক মর্মে জানা যায়।

এ বিষয়ে সিআইডি বাদী হয়ে বনানী থানার মামলা নং- ০৬, তারিখ- ১১/১২/২০২৫ খ্রি. ধারা- মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৬/৭/৮/১১/১২ রুজু করে। মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩ (১)(গ) অনুযায়ী দেশের ভেতরে বা বাইরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকিয়ে রাখা বা আশ্রয় দেওয়া সংক্রান্ত কার্যক্রমকে মানব পাচার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- (১) মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), পিতা-মোসলেম মিয়া, মাতা-মোসা. আফসুন্নেসা, সাং-সোনামঈন, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ; (২) মো. রাকিবুল ইসলাম (২৫), পিতা-ইমরান হোসেন, মাতা-হাফিজা বেগম, সাং-কার্তিক পাশা, থানা-ধুমকী, জেলা-পটুয়াখালী; (৩) গোলাম মোর্শেদ ওরফে সৌমিক (২৬), পিতা-মোস্তাক আহম্মেদ, মাতা-মোসা. সুরাইয়া সুলতানা, সাং- ধাপ রংপুর, থানা ও জেলা-রংপুর; (৪) মো. রাব্বি ইব্রাহীম (২৩), পিতা-আব্দুল বারেক, মাতা-পারুল বেগম, সাং- নতুন সমাজ, পো- হাতিয়া, থানা- হাতিয়া, জেলা- নোয়াখালী; (৫) জহিরুল (৩৩), পিতা- রেজাউল ইসলাম ওরফে সোনা মিয়া, মাতা- রাজিয়া, সাং- মোহাম্মদপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা- নারায়নগঞ্জ এবং (৬) শ্যামল কুমার (৪৭), পিতা-বিজয় চন্দ্র দাস, মাতা-চীনু, সাং-তেরশ্রী, থানা-ঘিওর, জেলা-মানিকগঞ্জ।

গ্রেফতারকৃতগণ ছাড়াও এই মামলায় ‘রিলাক জোন বিউটি পার্লার এন্ড সেলুন’ নামীয় স্পা সেন্টারের মালিক মো. মোবারক আলী ওরফে সবুজ (৩৬), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী, মাতা-মোছা. খোরশেদা বেওয়া, সাং-দক্ষিণ উদাখালি, থানা-ফুলছড়ি, জেলা-গাইবান্ধা এবং ভবন মালিক মো. দেলোয়ার হোসেন, বাসা নং- ৮২, রোড নং ১৭/এ, থানা-বনানী, ঢাকাদ্বয়কে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায় যে, বনানী এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ‘রিলাক জোন বিউটি পার্লার এন্ড সেলুন’ নামীয় স্পা সেন্টারটি পরিচালনা করা হতো। অভিযানকালে ফ্ল্যাটটির একাধিক কক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসা ও অনৈতিক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে জড়ো করে রাখা অল্পবয়স্ক নারীদেরকে দেখতে পেয়ে তাদের উদ্ধার করে সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট ।

উদ্ধারকৃত নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় উচ্চ বেতনের চাকরি, বিউটি পার্লারে নিরাপদ কাজ, থাকার ব্যবস্থাসহ বৈধ কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে রাজধানী ঢাকায় আনা হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে চাপ প্রয়োগ, ভয়ভীতি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নানা কৌশলে স্পা সেন্টারের আড়ালে যৌন শোষণের কাজে বাধ্য করা হতো। ভবনের মালিক পলাতক অভিযুক্ত মো. দেলোয়ার হোসেন অবৈধ ও অনৈতিক কাজে ব্যবহৃত হবে জেনেও ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে উঠে আসে।

মানবপাচার ও যৌন শোষণের বিরুদ্ধে সিআইডির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের প্রতারণামূলক চক্র সাধারণত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের নারীদের টার্গেট করে থাকে তাই এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।

সিআইডির মানব পাচার ইউনিট এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত অপর সদস্যদের শনাক্তকরণ ও অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি