
দলের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জতীয়তাবাদী বিএনপি বংশাল থানার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতৃবৃন্দ নিদের্শনায় বংশাল থানার জাতীয়বাদী বিএনপি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক বার বার জেল জুলুম স্বৈরাচার সরকারের হাতে নির্যাতিত নিপিড়িত অত্যাচারিত, এমন কি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়ে ঠিক মত চেয়ারে বসার সুযোগ দেয় নাই অত্যাচারিত সরকার। জিয়াউর রহমান আদর্শ সৈনিক, শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে পথ চলছে কখনো পিচপা হয়নি রাজপথের এই লড়াকু সৈনিক। সব সময়ের জন্য রাজপথের অগ্রনি ভূমিকা রেখেছে সেই পরীক্ষিত নেতা বংশাল থানার জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন, এই নেতা সর্ব সময় মহানগর নেতৃবৃন্দের অনুমতি নিয়ে তার থানার প্রতি ওয়ার্ড এবং ইউনিট কমিটিকে সংঘবদ্ধ করার জন্য নিরালস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তার উদ্দেশ্য
শহীদ জিয়ার আদর্শকে বাস্তবায়ন করা,তারি ধারাবাহিকতায় দিন রাত কাজ যাচ্ছেন এই নেতা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গণমানুষের মেয়র ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের নির্দেশনায় দিপু ভাইয়ের সাথে পথ চলার জন্য বংশাল থানা জাতীয়তাবাদী বিএনপিকে সাজিয়ে গুছানোর কাজে ব্যস্থ থাকেন এই ব্যক্তিটি, সর্ব সময় এই থানার বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন মোঃ মামুন। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়াম্যানের নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। যেমন তার থানায় কোন রকম অপকর্ম থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, ভূমি দখল, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং মাদক ব্যবসায়ীদের হাত থেকে বংশাল থানার সাধারণ জনগণকে নিয়ে সর্ব সময় প্রতিহত করে যাচ্ছেন, এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনির সহযোগীতায় তার থানাকে সব সময় সুরক্ষিত রাখার জন্য দিন রাত চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তিনি তার থানায় প্রতি ওয়ার্ড, ইউনিট ও পাড়ামহল্লাকে এই আওয়ামীলীগ দোসরের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য অত্র এলাকার সাধারণ জনগণকে নিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তার নেতৃত্বে, এই ব্যক্তিটি কখনো ক্লান্ত হয় না যখন কোন মহল্লা থেকে কোন ব্যক্তি ফোন করিলে সাথে সাথে সে সমস্যার সমাধানের জন্য সে ছুটে যান, এবং সমাধান করার জন্য নিরলস ভাবে চেষ্টা করেন। সবাইকে জাতীয়তাবাদী পতাকাতলে রাখার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে বংশাল থানাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অঙ্গীকার বদ্ধ, তার মূল লক্ষ্য যে তার এই থানায় কোন অপকর্ম থাকবে না কোন হানাহানি থাকবে না ভেদাভেদ থাকবে না। বংশাল থানাকে আধুনিক ও মডেল থানা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।