
ত্রিশালে বিএনপির শেল্টারে ফের দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছে যুবলীগের পলাশ চক্র বেপরোয়া!
মহাসিনঃ
ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের আমলে নানা ধরনের অপরাধ অপকর্ম করে আলোচিত সমালোচিত সেই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও দখলবাজ যুবলীগ ত্রিশাল উপজেলা শাখা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ধানিখোলা চেরাগআলী কলেজের শিক্ষক মাহফুজুর রহমান পলাশ ওরফে জোয়ারু পলাশ ফের বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ কিছু নেতার শেল্টারে এলাকায় মহড়া শোডাউন দিচ্ছে। নিজেকে জানান দিচ্ছে নতুন রুপে, গড়ে তুলেছে নতুন একটি সিন্ডিকেটে চক্র বাহিনী। বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হচ্ছে!। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এমপির আশ্রয়ে সাপোর্টে অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলো। নানা ধরনের অপরাধ অপকর্ম করে বেড়াতো। বদলি বানিজ্য, দখল চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ এমপির নির্দেশে পলাশের নেতৃত্বে আগষ্ট মাসে ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন নজরুল কলেজ গেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিরিহ ছাত্রছাত্রী ও জনতার মিছিলের উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের নেতৃত্ব দিয়েছিলো। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কিছুদিন গাঁ-ঢাকা দিয়ে থাকার পর আবারো স্থানীয় কিছু বিএনপির শীর্ষ নেতার সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ সুবিধা দিয়ে তাদের শেল্টারে বিএনপির অনুসারী হিসেবে নিজেকে জাহের করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
দোকানপাট, হাট বাজারে লোকজন নিয়ে শোডাউন দিয়ে যাচ্ছে। ত্রিশাল উপজেলা ও ইউনিয়ন এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে যাচ্ছে মহড়া শোডাউন দেওয়া কেন্দ্র করে। বিএনপির নেতাকর্মী বলেন পলাতক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীদের সাথে সর্ব সময় যোগাযোগ করে
খবরাখবর দিচ্ছেন বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ পুর্নবাসন করে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগের দখল চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের। ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম জুয়েল সরকার সাবেক এমপি আব্দুল মতিন সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ও নিকট আত্মীয় পরিচয় দানকারী হিসাবে বিগত আওয়ামী লীগের আমলে তদবির বানিজ্য বিভিন্ন চাঁদাবাজী ও দখলবাজীতে স্ত্রীসহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাহিনী ছিলো। সে নিজেও মাদকাসক্ত জানা জায়।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরিহ ছাত্রছাত্রী ও জনতার উপর হামলা গুলি ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের নেতৃত্বদানকারী পলাশ ও তার সহযোগী ছোট জাহাঙ্গীর এখনো তার স্ত্রীকে দিয়ে তার বাসায় প্রতি রাতে আলি আকবর ভুইয়া স্কুল রোডের তার নিজ বাসায় ও মাদকের আসর বসায় যৌন পল্লী সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থেকে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের নাকের ডগায় বসে ক্যাসিনো চালায়। পলাশের বউ আলোচিত পাপিয়ার মতো দুর্ধর্ষ। যেমন বেপরোয়া, তেমনি দুর্ধর্ষ প্রকৃতির নারী।
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার পায়তারা করে যাচ্ছে। ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির কিছু নেতা আওয়ামীলীগের এসব সন্ত্রাসী ও দখলবাজদের শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ তার পরিবার ও নিকটবর্তী নিকটবর্তী আত্মীয়স্বজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তার শশুর ত্রিশাল উপজেলা কানিহারি ইউনিয়নের যুদ্ধ অপরাধী মামলা প্রস্তুতকারী প্রধান সমন্বয়ক। আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে মাহফুজুর রহমান পলাশ এবং তার স্ত্রী চাকুরী নিয়ে ছিলো।