ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকে প্রতারক চক্রের হাত থেকে শিশু উদ্ধার:
মো. জুয়েল হাওলাদার
স্টাফ রিপোর্টার ঃ
মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে বিপদের মুখে শিশুটি, শেষ মুহূর্তে উদ্ধার করলেন সাংবাদিকরা
ঢাকার বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকা থেকে মো. রিমন ইসলাম নামে এক শিশুকে উদ্ধার করেছে ঢাকার ক্রাইম সাংবাদিক প্রতিনিধিরা। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর একদল প্রতারক চক্রের নজরে পড়ে গিয়েছিল, তবে শেষ মুহূর্তে সাংবাদিকদের তৎপরতায় রিমন নিরাপদে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পেরেছে।
২১ মার্চ ২০২৫, দুপুর আনুমানিক ১১টার দিকে, আল-হেরা আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে আসে রিমন। জানা গেছে, মাদ্রাসার হুজুর তাকে শারীরিকভাবে মারধর করেছিল, যার ফলে সে আতঙ্কিত হয়ে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায়।
প্রতারক চক্রের নজরে পড়ে রিমন:
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একা ঘুরতে ঘুরতে রাত ১২টার দিকে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় পৌঁছায় রিমন। এ সময় একদল অপরিচিত ব্যক্তি তার কাছে গিয়ে নানা কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।
সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপ ও উদ্ধার:
সৌভাগ্যক্রমে, সেই মুহূর্তে ঢাকার ক্রাইম সাংবাদিক প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তারা শিশুটিকে প্রতারকদের হাত থেকে উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. জসিম সরদারসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা।
পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন:
সারারাত সাংবাদিকদের তত্ত্বাবধানে থাকার পর, পরদিন সকালে শিশুটির বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তার বাবা মো. রফিকুল ইসলাম, যিনি একজন আইনজীবীর সহকারী, ছেলেকে নিতে সাংবাদিকদের অফিসে আসেন।
২২ মার্চ ২০২৫, শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় তার বাবা ও তার বন্ধু মো. আমির হুসাইনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
রিমনের পরিচয়:
নাম: মো. রিমন ইসলাম
বাবা: মো. রফিকুল ইসলাম (আইনজীবী সহকারী)
মা: মোসা. মনিরা আক্তার
্ঠিকানা: হাজীপুর মৌলভিপাড়া, নরসিংদী সদর, নরসিংদী
মোবাইল: ০১৩১***১৭৩৫
এই ঘটনা প্রমাণ করে শিশুরা একা থাকলে সহজেই প্রতারকদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে যেতে পারে। অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের প্রতি আরও সতর্ক থাকা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেন কোনো শিশু নির্যাতনের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করা।
উদ্ধারকারী: ঢাকার ক্রাইম সাংবাদিক প্রতিনিধিরা, উপস্থিত ছিলেন মো. জসিম সরদার