
গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খসরু মৃধাঃ
গাজীপুর প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের কালীগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুল গাফফারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে গাজীপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। হামলার দ্রুত বিচার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করেন গাজীপুরের সাংবাদিক সমাজ।
সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টায় গাজীপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জনকণ্ঠের গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান টিটু। সঞ্চালনা করেন দৈনিক যুগান্তরের গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি শাহ শামসুল হক রিপন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক দিনকালের স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর, এইচ এম দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মোঃ রেজাউল বারী বাবুল, একাত্তর টিভি ও মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার ইকবাল আহমেদ সরকার, দৈনি ইত্তেফাক গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর, মুজিবুর রহমান, আমিনুল ইসলাম,দৈনিক দেশ রূপান্তর গাজীপুর জেলা, সিনিয়র সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, খোরশেদ আলমসহ বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “একজন সংবাদকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, এটি স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠ রুদ্ধ করার চেষ্টা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, নইলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
এ সময় সাংবাদিক নেতারা তিন দিনের আলটিমেটাম ঘোষণা করেন এবং দাবি করেন, যদি দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
গতকাল (১৬ মার্চ) রবিবার রাতে কালীগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরার সময় একদল সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে আব্দুল গাফফারের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আলা উদ্দিন জানান, “হামলার সঙ্গে জড়িত একজনকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
সাংবাদিক সমাজ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না হয়, তাহলে জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।
সাংবাদিকদের এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হয়।