
খুলনা জেলার তেরখাদা গ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী পলাশ গাংদের নামে ঘর বাড়ি ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে
মোঃ হাফিজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার তেরখাদা থানার বারাসাত গ্রামে কুখ্যাত সন্ত্রাসী পলাশ গংদের হামলায় ঘরবাড়ি ভাংচুর লুটপাাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তের খাদা থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,পলাশ গাং গত ৫ ই আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন সময় গ্রামের অসহয় মানুষের উপরে হামলা জমি দখল সন্ত্রাসী কায়দায় মানুষকে জিম্মি করে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন,চাঁদা দিতে না পারলে জীবন নাশের হুমকি ও দেয়। তেমনি একটি অসহায় পরিবার বশার শেখ কে ভিটা ছাড়া করে দেন।এ পলাশ গাংয়ের অত্যাচারে গ্রামের কোন পুরুষ ও মহিলারা বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে না। পুরুষ ও মহিলারা এখন বাড়ি শুন্য। আমরা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছি, আমাদের বসত বাড়িতে উঠতে পারছি না, এ ঘটনা টি ঘটে ১৩,৬,২৫, তারিখ, শুক্রবার সকাল ৯,ঘটিকায় মামলার বাদী বাশার শেখ তেরখাদা থানা একটি মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নাং ২, তারিখ ১৬,৬,২৫, মামলার ধারা হলো ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ১১৪, ৫০৬, কেনাল কোড রুজু করা হয়েছে। এ মামলার আসামিরা হলো, মো.পলাশ শেখ, (৪৫) পিতাঃ মৃত আতিয়ার শেখ সাং বারাসাত পুর্ব পাড়া, মুক্তার শেখ, ইব্রাহিম শেখ, (৪৭) রুবেল শেখ, (৩৩) সর্ব পিতা মৃত বসির শেখ, টুটুল শেখ ( ৪৮) পিতাঃ মৃত নুরুল হক শেখ সর্ব সং বারাসাত দক্ষিণ পাড় শেখ বাড়ি, কামরুল ফরাজী ( ৪২) পিতাঃ মৃত মহিউদ্দিন ফরাজী, আকাশ মোল্লা ( ৩০) পিতাঃ হিরো মল্লা উভয় সাং বারাসাত পুর্ব পাড়া, মোশারেফ মোশা মীর (৫৫) পিতাঃ মৃত মুনছুর আলী মীর, ফেরদৌস মোল্লা (৩৫) তিব্বত মোল্লা (৫৫) সাইল মোল্লা (৬০) শাহজালাল মোল্লা (৫২) সর্ব পিতা মৃত আহম্মেদ মোল্লা, আজাদ মুন্সী (৫০) পিতাঃ মৃত মহম মুন্সি, হবিমীর (৫৫) পিতাঃ মৃত হানেফ আলীমীর সর্ব সাং হরিদাশ বাটি, আহাদ শেখ (২৬) সামাদ শেখ (২২) উভয় পিতাঃ ইব্রাহিম শেখ, রহমান শেখ (৪৮) পিতাঃ নুরুল হক শেখ সর্ব সাং বারাসাত দক্ষিণপাড়া শেষ বাড়ি, মনির মোল্লা (৫২) আসাদ মোল্লা (৪৯) ওহিদ মোল্লা (৪৫) সর্ব পিতাঃ হোসেন মোল্লা, আসাদ শিকদার (৫০) পিতাঃ মৃত বচল শিকদার, শিমুল শিকদার (২৩) সুজন শিকদার (২০) উভয় পিতাঃ আসাদ শিকদার সর্ব সাং বারাসাত দক্ষিণপাড়া মোল্লাবাড়ি, খাজা শেখ (৪০) পিতাঃ মৃত গনি শেখ, হাকিম শেখ (২৮) পিতাঃ নুর ইসলাম শেখ উভয় সাং বারাসাত দক্ষিণপাড়া শেখবাড়ি, আরিফ মোল্লা (৪৮) পিতাঃ মৃত মালেক মোল্লা, মহসিন মোল্লা (৪৪) রাজা মোল্লা (৫০) উভয় পিতাঃ মৃত জামাল মোল্লা সর্ব সাং বারাসাত মোল্লা বাড়ি, বাবলু সরদার (৫৫) পিতাঃ মৃত আবুল সরদার, মেজবা সরদার (৩৫) শিপন সরদার (৩২) উভয় পিতাঃ বাবলু সরদার, সর্ব সং বারাসাত সরদার বাড়ি, নবাব শেখ (২৬) পিতাঃ হান্নান শেখ, হান্নান শেখ (৫০) পিতাঃ মৃত মজিব শেখ উভয় সাং বারাসাত শেখ বাড়ি, ইমদাদুল মুন্সি (৪৫) পিতাঃ মৃত আখের মুন্সি, তাকিদ মোল্লা (৪৫) পিতাঃ মৃত গোলাম রসুল, আজাদ মোল্লা (৪৮) সুজন কবির (৪৪) উভয় পিতাঃ মৃত জাহাঙ্গীর কবির, জসিম মোল্লা (৩২) পিতাঃ মৃত ইদ্রিস মোল্লা, সর্ব সাং বারাসাত, মধ্যে পাড়া, জিকু মোল্লা (৩৮) টুটুল মোল্লা (৩৫) পিতাঃ মৃত ইমদাদ মোল্লা, জামাল মোল্লা (৫৮) পিতাঃ মৃত বক্কর মোল্লা সর্ব সং বারাসাত পুর্ব পাড়া মোল্লা বাড়ি, কিবরী সরদার (৫৫) পিতাঃ মৃত মোতাহার সরদার সাং বারাসাত সরদার বাড়ি, কামরুল মীর (৪৫) কালু মীর (৪৮) উভয় পিতাঃ মফিজ মীর, আছাবুর শেখ (৩৫) খায়রুল শেখ (৪০) উভয় পিতাঃ রবজেল শেখ, আলামিন মুন্সি (২০) সোহাগ মুন্সি (২৩) উভয় পিতাঃ আকবার মুন্সি, রাজু মীর (২৩) হাবি মীর সর্ব সাং হরিদাস বাটি, রানা ফকির (২৫) পিতাঃ নুরু ফকির, সাং বারাসাত পুর্ব পাড়া, আক্তার সরদার (৩৫) পিতাঃ বোরহান সরদার সাং পান তিতা সর্ব থানা তেরখাদা জেলা খুলনা অজ্ঞত নাম ১০০ থেকে দেড়শ জন আসামিরা বে আইনে জনতার দলবদ্ধতা হয়ে অনধিকার প্রবেশ করে আমার বসত বাড়ি ও আমার চাচা টুটুল মেম্বারের বাড়িতে প্রবেশ করেন, এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেশীয় লোহার রড বাশের লাঠি নিয়ে আমাকে জীবন নাসের হুমকিধংকি দেয়। উক্ত মামলার ২ নম্বর আসামি মুক্তার শেখ তার হাতের দা দিয়ে আমাকে খুন করার উদ্দেশ্য মাথার বাম পাশে কোপ দিলে আমি গুরুতর জখম হই। এক পর্যায় সন্ত্রাসীদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও তারা আমাকে ছাড় দেবে না বলে আহত করে রেখে চলে যান। এ সময় এলাকার লোকজন আমার ডাক চিৎকারে ছুটে এসে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় তার অবস্থা অবনতি হলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। এবিষয়ে তের খাদা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ঘটনার থানায় একটি মামলা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।