ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার নামে স্থায়ী ভাবে ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন উত্তরার সচেতন নাগরিক সমাজ।
“থানার জমি বরাদ্দ-দিতে হবে দিতে হবে” আমাদের দাবি আমাদের দাবি- মানতে হবে মানতে হবে,
রাজউকের কালো হাত ভেঁঙ্গে দাও গুরিয়ে দাও,থানার জমি বরাদ্দ-দিতে হবে দিতে হবে এমন স্লোগান দিয়ে জনপথ এভিনিউ কাঁপিয়ে তোলেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণ কারী সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
বুধবার ২৯ (জানুয়ারী) সকালে উত্তরা সোনারগাঁও জনপথ এভিনিউ জমজম টাওয়ারের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণ সচেতন নাগরিকবৃন্দ বলেন,
এখানকার আবাসিক বিল্ডিং থেকে থানা সরিয়ে নিয়ে ১৩ নং সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ এভিনিউ রোডের রাজউকের ৩৩ ও ৩৫ নং খালি প্লট উত্তরা পশ্চিম থানার বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে।
তারা আরো বলেন,নতুন থানা হওয়ার পর স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য জমি না থাকায় সরকার একটি ভবন ভাড়া নেয়। ভবনটি আবাসিক এলাকার ভেতরে অবস্থিত হওয়া নতুন থানা ভবনটি অপর্যাপ্ত হওয়ায় এর কার্যক্রমে নানাবিধ অসুবিধা সৃষ্টি চলমান।এছাড়াও থানা ভবনের আশেপাশের শাখা সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়ে থাকে।এই জন্য থানা দপ্তরকে সোনারগাঁও জনপথের ৩০ কাঠা জমিতে নতুন ভবন নির্মাণ করে সেখানে স্থানান্তর করার দাবিতে গত ২০২২ সালে উত্তরা কল্যাণ সমিতি কয়েক দফা আন্দোলন করেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য তাদের দাবির স্বপক্ষে সুপারিশ করে ১৯ অক্টোবর ২০২২ সালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞাকে একটা ডিও লেটার প্রেরণ করেন।
মডেল থানা হিসেবে পরিচিত উত্তরা পশ্চিম থানা উত্তরা উপশহরের ১১ নং সেক্টরের ১৮ নং রোডে অবস্থিত।থানাটি আব্দুল্লাহপুর, বাউনিয়া, কামারপাড়া, বাটুলিয়া, রসদিয়া এবং উত্তরার ৩, ৫, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ নং সেক্টর নিয়ে গঠিত।
উত্তরা পূর্ব থানার (পূর্ববর্তী নাম উত্তরা থানা) দায়িত্বভার কমাতে এটি ২০১২ সালে এ থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এই থানার আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার








