
আজমপুর কাঁচাবাজার লায়লা ভিলায় রমরমা অবৈধ ইন্ডিয়ান পন্যের ব্যাবসা
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- ৩৬৩ লায়লা ভিলার নিচ তলা ও ২য় তলায় ইন্ডিয়ান অবৈধ পন্য, যেমন- ইন্ডিয়ান কাজু বাদাম, ইন্ডিয়ান বিস্কিট, ইন্ডিয়ান সম্পাপরি, ইন্ডিয়ান শাড়ী, ইন্ডিয়ান থ্রীপিছ, ইন্ডিয়ান কসমেটিক্স, চুল ও আরোও অনেক কিছু্। এবং ইন্ডিয়ান ৪-৫ জন লোকও পাওয়া যায়। এ বেপারে ঐ ফ্লাটের ভাড়াটিয়া রিপন ও তার ভাই মনির এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে- উনারা ইন্ডিয়া, থাইল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশ থেকে লাগেজে করে অবৈধ ভাবে এসব মালামাল দেশে আনে ও বিক্রি করে। এই অবৈধ ব্যাবসার মালিক রিপন সরকার এর কাছে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। এবং তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে, আমার এই ব্যবসার কোন কাগজপত্র লাগে না। তিনি প্রশাসনকে মেনেজ করে নাকি এই ব্যবসা পরিচালনা করেন। রিপন সাংবাদিকদের চ্যালেন্জ করেন- আমার কোন ক্ষতি করা যাবে না, কথোপতনের এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের, সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা কুমিল্লা দেবিদ্বারের হাসনাত আব্দুল্লাহর ভয় দেখান। রিপন বলেন- হাসনাত আব্দুল্লাহ আমার আত্মীয়, আমার বাড়ী দেবিদ্বার বাকসার, উনঝুটি, সাংবাদিক ও প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না।
আরো জানা গেছে যে, ৩৬৩ লায়লা ভিলার মালিক যিনি নিজেও সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি গার্ডের চাকরিরত থাকা অবস্থায় দুর্নীতির মামলার আসামী বর্তমানে জামিনে, হিরন মিয়ার মদদে দীর্ঘদিন তার বাড়িতে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতে সহযোগীতা করছেন। এই বিষয়ে এলাকার লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়- ৫ই আগষ্টের পর থেকে এই বাড়ীতে ইন্ডিয়ান লোকদের আনাগোনা দেখা যায়। এই বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করতে গেলে বাড়ীওয়ালা হিরন মিয়া সকলের সাথে খারাপ আচরন করেন। যাতে কেউ এই বাড়ীতে কি চলে জানতে না পারে। আজমপুর কাচাঁবাজারের সচেতন নাগরিকদের দাবী প্রশাসন যেনো তদন্ত করে এই অবৈধ ব্যবসা ও দুর্নীতিবাজ বাড়ীওয়ালার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করেন।