1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

অপপ্রচারের শিকার ছাত্রদল নেতা দ্বীন ইসলাম: প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৩১ বার দেখা হয়েছে

অপপ্রচারের শিকার ছাত্রদল নেতা দ্বীন ইসলাম: প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: কোতয়ালী থানা ছাত্রদলের ত্যাগী নেতা দ্বীন ইসলামকে ঘিরে একদল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। বিগত স্বৈরশাসকের ১৬ বছরের শাসন আমলে হামলা-মামলার স্বীকার হয়েও রাজনীতির মাঠে আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন প্রথম সারিতে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে তাকে চাঁদাবাজি ও অবৈধ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সিএনএন বাংলায় দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ভূক্তভোগী দ্বীন ইসলাম ইতিমধ্যে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি ডিএমপির কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে এবং শিঘ্রই তিনি আদালতে মামলা দায়ের করে উপযুক্ত বিচার প্রত্যাশা করেন।
চলমান এই ঘটনার বিষয়ে এলাকার ত্যাগী নেতা-কর্মীরা বলছেন, মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম ছাত্রদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা অনেকের জন্যই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষ করে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় শঙ্কিত হয়ে ওঠে।
ফলে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানোর কৌশল নেয় তারা।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতারা বলছেন, মোহাম্মদ দ্বীন ইসলামকে রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত করতে প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে আসছে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ তোলা হলেও কোনো ধরনের প্রমাণ এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি অপচেষ্টা।
মোহাম্মদ দ্বীন ইসলামের ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীরা এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলছেন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তি এই কুৎসা রটানোর চেষ্টা করছে। এক নেতা বলেন, “দ্বীন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের জন্য কাজ করে আসছেন। তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হচ্ছে। যদি তার বিরুদ্ধে সত্যিই কোনো অপরাধের প্রমাণ থাকত, তাহলে প্রশাসন নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিত।”
এদিকে, অনেক নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন। তারা বলছেন, রাজনীতির নামে এ ধরনের অপপ্রচার নিন্দনীয় এবং গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম নিজেও এসব অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “আমি ছাত্রদলের জন্য কাজ করেছি এবং সব সময় রাজনীতির আদর্শকে সমুন্নত রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একদল প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এসব মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।”
তিনি আরও জানান, প্রতিপক্ষের মিথ্যা অপপ্রচারের কারণে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান এবং এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
প্রবীণ রাজনৈতকি ব্যক্তিরা মনে করছেন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মোহাম্মদ দ্বীন ইসলামের প্রভাব ছিল স্পষ্ট।
অব্যাহতি হওয়ার পরও তার জনপ্রিয়তা থাকায় প্রতিপক্ষরা তাকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে চাইছে। তাই তারা অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে। তবে সাধারণ ছাত্রদল কর্মীরা মনে করেন, এ ধরনের অপপ্রচার সংগঠনের জন্যও ক্ষতিকর। কারণ সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই যদি কোনো নেতাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়,তাহলে ভবিষ্যতে আরও অনেক নেতা একই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন।
এ ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও অনেক নেতা প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি নিরপরাধ কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টাও কঠোরভাবে দমন করা উচিত।
রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো গণতন্ত্র ও নৈতিকতার পরিপন্থী। কোতয়ালী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ
দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নাকি ষড়যন্ত্র, তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমেই প্রমাণিত হওয়া উচিত। তার বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের বিষয়ে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না,সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি