1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

অচল হয়ে পড়েছে র ্যাব পুলিশের চেকপোস্ট

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫০ বার দেখা হয়েছে

অচল হয়ে পড়েছে র ্যাব পুলিশের চেকপোস্ট

শাহাবুদ্দীন সাগর :- সাড়া দেশের সড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের একটি সাইনবোর্ড অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। যেখানে লেখা থাকে থামুন সামনে পুলিশ চেকপোস্ট। জরাজীর্ণ অবস্থার সাইনবোর্ড এর মতো পুলিশের চেকপোস্ট অকার্য হয়ে পড়ে রয়েছে। পুলিশের কার্যক্রম বন্ধ থাকার সূবর্ন সুযোগ নিয়েছে মাদক কারবারি ও সড়কের অপরাধীরা।সীমান্ত থেকে ঢাকায় ঢোকার সড়ক এলাকায় দীর্ঘদিন প্রশাসনের চেকপোস্ট বন্ধ থাকার কারণে, অবাধে পরিবহন ও যাত্রীর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা সহ গ্রামের শহরে আসছে মাদক,অস্ত্র সহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ পন্য। যুবসমাজের হাতের মুঠোয় এসে পড়েছে নেশা জাতীয় দ্রব্য।তার সাথে সাথে বাজার সয়লাভ হচ্ছে বিদেশি পন্যে,সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ভ্যাট ট্যাক্স।শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিদেশি পন্যে বাজার দখল করে নিচ্ছে, প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার বাহিনীর বিভিন্ন স্হানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের তৎপরতা প্রায় সময় দেখা যায়, তাতে করে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না। প্রশাসন এভাবে চেকপোস্ট বন্ধ না রেখে, দেশের সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা গামী রুটের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত স্হায়ী চেকপোস্ট বসানো জরুরী। চেকিং থাকলেই মাদক সহ অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব। ধারনা করা হচ্ছে একটি চেকপোস্ট থাকলে এলাকার অপরাধ প্রবনতা হার অনেকটাই কমে আসে।তবে সেই চেকপোস্ট পরিচালনার জন্য দরকার দক্ষ চেকার ও দক্ষ প্রশাসন। যারা কৌশলগত বিভিন্ন পন্থায় মাদক বহন ,উদ্ধার করতে পারদর্শী হতে পারে।যে সমস্ত রুট দিয়ে প্রতিদিন অবৈধভাবে প্রবেশ করছে এই মরননেশা ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা,আইস, হেরোইন, এল এস ডি, স্বর্ণ, অস্ত্র সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। আর এই মাদক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়বে যুব সমাজের থেকে শুরু করে ধংস করা হচ্ছে গোটা সমাজের সব’স্তরের মানুষের। মাদকের টাকা যোগাড় করতেই চলছে অপরাধ।ঘটে চলেছে ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা, ধর্ষণের মত ভয়াবহ অপরাধ।আর এই মাদকের প্রবনতা,ভয়াবহতা এতটাই বেড়েছে, যেন লাগাম ছাড়া ঘোড়া । মাদকের হাত থেকে বত’মান সমাজ ব্যাবস্থার পরিবর্তন করতে হলে সবা’গে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে, প্রতিটি এলাকায় মাদক বিরোধী দূবা’র ‘আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। চালিয়ে যেতে হবে প্রতিদিন চেকপোস্ট। সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনী সমূহকে সহযোগিতা করতে হবে। আর যে সকল রুটে মাঝে মাঝে চেকপোস্ট বসানো হয়,সেখানে রাখা হয়না দক্ষ চেকার, তাই মাদক কারবারিরা নিরাপদেই অবাধে মাদক সরবরাহ করা সহ নানান কৌশলে অপরাধ অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র মতে আরো জানা যায় সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী Rab,পুলিশ সহ আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থা সমূহকে সহযোগিতা করতে হবে। আর যে সকল রুটে মাঝে মাঝে চেকপোস্ট বসানো হয়,সিভিল চেকার থাকার কারণে,সেখানে রাখা হয়না দক্ষ চেকার, তাই মাদক কারবারিরা নিরাপদেই অবাধে মাদক পাচার করতে সক্ষম হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীরা এতোটাই চালাক চতুর যে বিভিন্ন কৌশলে মাদক বহনের মাধ্যমে মাদক পাচার করছে। এতে করে বৃদ্ধি পেয়েছে জঘন্যতম অপরাধ, সড়কে ঘটছে ডাকাতি ধর্ষণের মতো ঘটনা। সূত্র মতে আরো জানা যায় সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী Rab,পুলিশ সহ আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থা সমূহের সহিত চেকপোস্টে নিধা’রিত কয়েকজন চেকার দ্বারাই চেক করানো হয়।কিন্তু্ু কয়েক বছরের অধিক সময় চেকপোস্ট গুলো বন্ধ রয়েছে। মাঝে মাঝে পুলিশ বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়ে মাদক উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও আশানুরূপ তেমন কোনো সুফল পায়না। অপরদিকে পুলিশের তালিকায় বিশেষ কিছু চেকার রয়েছে,সারাদেশে সংখ্যায় প্রায় ত্রিশ/চল্লিশ জন তাদের মধ্যে অন্যতম সাগর,রাসেল,দিদার, খোকন,সুমন,লতিফ,আজগর, সাইদুল,ছাড়াও নাম না জানা আরো দক্ষ চেকার।এই সকল চেকাররা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দক্ষতার সহিত কাজ করেও আজ তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চেকার বলেন, এই পেশায় দীর্ঘ ত্রিশ(৩০) বছর কাজ করেও বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছি। দেড় বছর কোন কাজ কর্ম নেই, RAB পুলিশ চেকপোস্ট বসালেও তাদেরকে নেওয়া হয় না,ফলে তেমন আর মাদক উদ্ধারের ফল দেখা যায় না। একজন চেকার যে কোন পরিবহন বা মাদক বহনকারীকে সনাক্ত করতে পারে। প্রকৃত চেকাররা অনেক দক্ষ ও পরিশ্রমী হয়ে থাকে।চেকার ও সোর্স এক নয়। মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে চেকার দের ভূমিকা অপরিসীম।তাই মাদকের ভয়াবহ ছোবলের হাত থেকে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করনে চেকার দ্বারা চেকপোস্ট পরিচালনা করা উচিৎ। প্রয়োজন বোধে চেকারদের স্হানীয় কমিউনিটি পুলিশ এর পোষাক ও পরিচয় পত্র প্রধান করে প্রশাসনের সঙ্গে চেকপোস্টের কাজের মাধ্যমে মাদক উদ্ধার ও ডাকাতি সহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। কারণ একটি চেকপোস্ট যে এলাকায় থাকবে সেই এলাকার মধ্যে মাদক পাচার সহ ডাকাতির মতো ঘটনা অপরাধীরা ঘটানোর জন্য আতংকে আতংকিত থাকবে। সামনে চেকপোস্ট আছে সেই ভয়ে।চেকারদের ছাড়া মাদক উদ্ধার প্রায় অসম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি