1. admin@dailydhakarcrime.com : admin :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ‌এক অসহায় মা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে বা*চ্চাকে টিকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকায় বিক্রি টঙ্গীতে ২৬ টি চোরাই মোবাইল সহ এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রোটারি ক্লাব অব উত্তরা লেক ভিউ’র উদ্যোগে এবং তামিশনা গ্রুপ ও উত্তরা ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন এর সার্বিক সহযোগীতায় যৌথ ভাবে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ: সহকারী ফয়সালকে ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ সিন্ডিকেট, বাড়ছে জনক্ষোভ গাজীপুরের গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেছেন। হাকিমপুর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-৯ চাকরির নামে প্রতারণা, উত্তরায় ‘মিলেনিয়াম সিকিউরিটি সার্ভিস’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বপন ও হৃদয় এর বিরুদ্ধে টঙ্গীর জাভান হোটেলে হামলা, ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণে আতঙ্ক মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন লাখাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা পলাশ তালুকদার।

নেত্রকোনায় প্রধান শিক্ষক কে মারধর করেন সহকারী শিক্ষিকার স্বামী

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৪১ বার দেখা হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত ।

নেত্রকোনায় প্রধান শিক্ষক কে মারধর করেন সহকারী শিক্ষিকার স্বামী

নেত্রকোনায় প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন সহকারী শিক্ষিকার স্বামী
সেমিয়া স্কুলের অফিস কক্ষে ক্ষিপ্ত মাসুদ করিম।

তিন দিনের ছুটি নিয়ে বিনা অনুমতিতে ১৭ দিন অনুপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রিক্তা বেগম। পরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দিনের স্বাক্ষর করতে চান। এতে রাজি না হওয়ায় ওই শিক্ষিকার স্বামী সেমিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে মারধর করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক বিচার চেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও প্রধান শিক্ষককে মারধর করায় অভিযুক্তের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

মারধরের শিকার আবু মোসহাব মোহাম্মদ হায়দার খান বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) পদে রয়েছেন।

আর অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন, সদর উপজেলার কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাসুদ করিম।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল সোমবার মারধরের শিকার আবু মোসহাব মোহাম্মদ হায়দার খান এ অভিযোগ দেন।

গত ৭ আগস্ট নিজের স্কুলে ক্লাস ফেলে রেখে মাসুদ খান সেমিয়া স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষক হায়দার খানকে মারধর করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রিক্তা বেগম ২২ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। কিন্তু ছুটি শেষে তিনি আর বিদ্যালয়ে যোগ দেননি। বিনা অনুমতিতে আরও ১৪ দিন অনুপস্থিত থাকেন। পরে ৭ আগস্ট ওই শিক্ষিকার স্বামী মাসুদ করিম সেমিয়া স্কুলে যান। এসময় প্রধান শিক্ষক হায়দার খান পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান করছিলেন। মাসুদ করিম শ্রেণিকক্ষে ঢুকে তার স্ত্রীর চিকিৎসা ছুটির আবেদন দেখিয়ে ২৭ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত দিনের জন্য শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের সুযোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তবে প্রধান শিক্ষক তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুদ করিম শ্রেণিকক্ষেই প্রধান শিক্ষক হায়দার খানকে গালিগালাজ ও মারধর করেন।

ঘটনা জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুদ করিমের বিচার চেয়ে গতকাল সোমবার সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে।

এ বিষয়ে সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) আবু মোসহাব মোহাম্মদ হায়দার খান বলেন, তিন দিনের ছুটি নিয়ে আরও অতিরিক্ত ১৪ দিন অনুপস্থিত থাকেন সহকারী শিক্ষিকা রিক্তা। গত ৭ আগস্ট তার স্বামী আরেকটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুদ করিম আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। ওই সময় আমি ক্লাসে ছিলাম। তিনি ক্লাসে গিয়ে তার স্ত্রীর চিকিৎসা ছুটির আবেদন দেখিয়ে অনুপস্থিত দিনের জন্য হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য চাপ দেয়৷ আমি তাতে রাজি হইনি। কিন্তু তার চিকিৎসা ছুটিতে সুপারিশ করে দিয়েছি। এতে মাসুদ করিম ক্ষুব্ধ হয়ে ক্লাসেই শিক্ষার্থীদের সামনে আমাকে গালাগাল করেন। এক পর্যায়ে আমাকে গলাধাক্কা দেন ও মারধর করেন। এ ঘটনায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। যদিও আজ পর্যন্ত ওই শিক্ষিকা স্কুলে যোগ দেননি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাসুদ করিমের মোবাইফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে তার স্ত্রী সেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রিক্তা বেগম বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি কাউকে মারধর করেননি। আমি অসুস্থ ছিলাম তাই ছুটির আবেদন নিয়ে যথা সময়ে যেতে পারিনি। আমার নৈমিত্তিক ছুটি অনেক পাওনা রয়েছে। চাইলে তিনি সেখান থেকে ছুটি দিতে পারতেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম বলেন, স্কুলে গিয়ে শিক্ষককে মারধর করা খুবই অন্যায় কাজ। তবে বিষয়টি আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 ঢাকার ক্রাইম
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি