
টঙ্গীতে ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ২৭তম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত হওয়ার শপথ নিয়ে যাত্রা শুরু ১৩০ শিক্ষার্থীর
গাজী মামুন:
গাজীপুরের টঙ্গীতে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের (আইএমসি) ২৭তম ব্যাচ এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৩ মে) সকাল ১০.৩০মিনিটে কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এ বছর দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৩০ জন নবীন শিক্ষার্থী চিকিৎসা শাস্ত্রে তাদের উচ্চশিক্ষার নতুন পথচলা শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেয়ার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও আইএমসি গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এম. এ. মুবিন খান এবং ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুনিরা আজিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ এস এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং ঐতিহ্যবাহী সাদা অ্যাপ্রন পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে এক আবেগঘন ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন,চিকিৎসা পেশা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি মহান ব্রত। শিক্ষার্থীদের শুধু দক্ষ চিকিৎসক হলেই চলবে না, বরং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে। কঠোর পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নিতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ এস এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী শিক্ষার্থীদের নিয়মশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে থেকে মানসম্পন্ন শিক্ষা অর্জনের আহ্বান জানান। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এম. এ. মুবিন খান এবং মুনিরা আজিম নবীনদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষার সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষাংশে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা দিতে নবীন শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হওয়ার দৃপ্ত শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আগামীর এই চিকিৎসকদের বরণ করে নেওয়ার উৎসবটি সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।