
গাজীপুরে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড,
খসরু মৃধা
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানাধীন মেঘডুবি এলাকায় কুলসুম বেগম (৪৫) নামে এক নারীর নিজ বাসা থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করেছে নিহতের পরিবার।
২৬ শে এপ্রিল রোববার রাত সারে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ৪০ নং ওয়ার্ডের মেঘডুবি এমএম নিয়াজ উদ্দিন স্কুলের পাশের নিজ বাড়ির কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কুলসুম বেগম ওই এলাকার মৃত আতাব উদ্দিনের মেয়ে।
তিনি তার নিজের দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় জজিনিসপত্র বিক্রি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,স্বামী পরিত্যক্ত কুলসুম বেগম ওই বাড়ির মধ্যে দুইটিকক্ষে বসবাস করতেন এবং বাকি দুটি কক্ষ ভাড়া দিয়ে সামনের একটি কক্ষে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। রোববার সন্ধ্যার পর তার এক ভাড়াটিয়ারা অফিস থেকে এসে তাকে ডাকতে থাকেন এ সময় কোন সারা শব্দ না পেয়ে তার কক্ষে গিয়ে দেখতে পান রক্তাক্ত অবস্থায় তার নিথর দেহ পড়ে আছে অপর একটি কক্ষে ডাইনিং টেবিলের ওপর কাটা ফল সাজানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার স্বজন এবং পুলিশ কে খবর দেয়।পরে পুবাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
নিহতের মেয়ে ময়না জানান, দুপুরে মায়ের সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। তখন তাকে কিছুটা ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। পরে রাত সারে ৮টার পর তার ভাইয়ের স্ত্রী ফোন করে জানান, কুলসুম আপা রক্তাক্ত অবস্থায় তার রুমে পড়ে আছে। এই খবর পেয়ে আত্মীয়দের নিয়ে গিয়ে মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
তিনি বলেন, “আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।