
মোঃ খোরশেদ আলম খোকা (সাংবাদিক) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী,১১ নং হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ,উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
নিজস্ব প্রতিবেদক লাকী আক্তার ঃ
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী ইশতেহারঃ-
১. স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন
উন্মুক্ত বাজেট: প্রতি বছর ইউনিয়নের বাজেট জনগণের সামনে উন্মুক্ত সভার (ওয়ার্ড সভা) মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে। কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ এলো এবং কোথায় খরচ হলো, তার হিসাব দেওয়া হবে।
দালালমুক্ত সেবা: জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশন সনদ বা নাগরিকত্ব সনদের মতো প্রয়োজনীয় সেবাগুলো কোনো প্রকার অতিরিক্ত টাকা বা দালালের হয়রানি ছাড়া সরাসরি পাওয়ার নিশ্চয়তা।
ডিজিটাল ইউনিয়ন: ইউনিয়ন পরিষদের সব সেবা অনলাইনে সহজলভ্য করা, যাতে ঘরে বসেই মানুষ আবেদন করতে পারে।
২. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ
রাস্তাঘাট সংস্কার: ইউনিয়নের কাঁচা রাস্তাগুলো পাকাকরণ এবং বর্ষাকালে চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা।
জলবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ: সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, যাতে বর্ষায় ফসলি জমি বা বাড়িঘর ডুবে না যায়।
স্ট্রিট লাইট স্থাপন: ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাজার এবং অন্ধকার রাস্তায় পর্যাপ্ত আলোর (সোলার বা বৈদ্যুতিক বাতি) ব্যবস্থা করা।
৩. সামাজিক নিরাপত্তা ও সরকারি ভাতা বন্টন
স্বচ্ছ তালিকা তৈরি: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কোনো স্বজনপ্রীতি বা ড”” নেওয়া হবে না। প্রকৃত অভাবী ও যোগ্য ব্যক্তিরাই এই সুবিধা পাবেন।
দুর্যোগে পাশে থাকা: যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা মহামারীতে সরকারি ত্রাণ বন্টনে শতভাগ সততা বজায় রাখা।
৪. স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন
কমিউনিটি ক্লিনিক সক্রিয় করা: ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে যাতে নিয়মিত ডাক্তার, নার্স ও বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করা।
ঝরে পড়া রোধ: গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৃত্তির ব্যবস্থা করা এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ তদারকি করা।
স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানি: প্রতিটি গ্রামে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন এবং শতভাগ স্যানিটেশন (স্যানিটারি ল্যাট্রিন) নিশ্চিত করা।
৫. যুবসমাজ, কর্মসংস্থান ও আইন-শৃঙ্খলা
মাদকমুক্ত ইউনিয়ন: তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রশাসনের সহায়তায় ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
কারিগরি প্রশিক্ষণ: বেকার যুবকদের জন্য কম্পিউটার, সেলাই বা ড্রাইভিংয়ের মতো কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
খেলাধুলা ও সংস্কৃতি: যুবসমাজকে মাঠমুখী করতে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং খেলার মাঠের উন্নয়ন করা।
গ্রাম্য আদালত সক্রিয় করা: ছোটখাটো বিরোধ বা ঝগড়া-বিবাদ ঢাকা কিংবা থানায় না নিয়ে, গ্রাম্য আদালতের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং বিনামূল্যে সমাধান করা।
৬. কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়ন
কৃষকদের সহায়তা: সময়মতো সরকারি সার, বীজ ও কৃষি প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছানো নিশ্চিত করা।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনিয়নের বড় বাজারগুলোর বর্জ্য বা ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করা, যাতে পরিবেশ দূষিত না হয়।