সাতক্ষীরার আশাশুনির খরিয়াটি রাস্তা নির্মাণে চরম দুনীতির অভিযোগ
মিহিরুজ্জামান সাতক্ষীরাঃ
সাতক্ষীরার আশাশুনির উপজেলার খরিয়াটি রাস্তা নির্মাণে চরম দুনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্লুইচ গেটের সামনে টিআর প্রকল্পের একশত বিশ মিটার নতুন রাস্তা নাম্বার বিহীন ইট দিয়ে রাস্তা তৈরীর সময় স্থানীয় জনতা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। স্থানীয়রা জানান ১,২,৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর র্ঝনা খাতুন দাড়িয়ে থেকে নাম্বার বিহীন ইট দিয়ে কাজ করছে এমনকি উক্ত প্রকল্পের সভাপতি তিনি নিজে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, টি,আর প্রকল্পের ১লক্ষ ১৫ হাজার হাজার টাকা ১২০ ফুট নতুন রাস্তা নির্মাণের জন্য বরাদ্ধ আছে। যাহার সভাপতি ইউপি সদস্যা র্ঝণা খাতুন। শনিবার সকাল থেকে এলাকার লোকজনের বাধার মুখে উক্ত ঝর্ণা খাতুন কোন কথা কর্ণপাত না করে অদৃশ্য শক্তির বলে ২,৩ ও নাম্বার বিহিন ইট দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মাহমুদ আলী বলেন, আমি রাস্তা নির্মাণে এমন ইট আর আগে কখনো দেখিনি। চরম দুনীতি করা হচ্ছে। ঔ গ্রামের লুৱফর রহমান জানান, ইট হাত দিয়ে চাপ দিলে ভেংগে যাচ্ছে। ইটের টলি যাওয়ায় উক্ত রাস্তার মাটি এক ফুট বেশি ডেবে যাচ্ছে তাহলে এখানে রাস্তা তৈরী করা পর কয়দিন যাবে। এ সময় রজব আলী সহ অন্যান্য এসে কাজে বাধা দিলে পরবর্তীতে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হবে উক্ত ইউপি মেম্বর দুর্ণীতি গ্রস্থ ঝর্ণা খাতুন।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য ঝর্ণা খাতুনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চেয়ারম্যানের কথা মত দুই নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করছি। কিন্তু চেয়ারম্যান এলাকাতে নাই বললে তিনি আর কথা বলতে চাননি। এ ব্যাপারে প্যানেল চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মুকুল জানান, রাস্তার কাজ এক নাম্বার ইট দিয়ে করতে হবে। তবে এদি দেখা শুনা করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দেখে তিনি বিল ছাড়েন । তবে তিনি কি ভাবে ২,৩ নাম্বার ইট দিয়ে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছেন সেটি আমার বোধ গম্য নয়।
আমি জানার পরে নির্দেষ করেছি। আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুর ইসলাম জানান, দুই নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই।
উপদেষ্টাঃ আনোয়ার হোসেন , সম্পাদক/ প্রকাশক: মোঃ কামরুল ইসলাম , বার্তা সম্পাদকঃ মুনীর হোসেন চৌধুরী । সম্পাদকীয় কার্য্যালয়ঃ সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০।। মোবাইল: ০১৯২৮৮২৯৮৬৩
© All rights reserved © 2024 ঢাকার ক্রাইম