

স্টাফ রিপোর্টার:
চট্টগ্রামে মহানগরে আবাসিক হোটেলের সংখ্যা কমপক্ষে 200। বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলগুলো কোন নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক বাণিজ্য।মাদক কারবারিরা আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার অথবা মালিকের সহায়তায় মাদক সেবন খাওয়ার জন্য উপযুক্ত জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে আবাসিক হোটেল। কারণ হোটেল গুলোতে কোন জয় ঝামালে থাকে না, কোন প্রশাসনের ভয়ও থাকে না। রুমের বাহিরে তালা লাগিয়ে ভিতরে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন। এরকম একটি আবাসিক হোটেল গুলজার যার ম্যানেজার কুমিল্লার কৃতি সন্তান। দাড়ি-টুপিওয়ালা ভদ্রলোক চালায় অসামাজিক কার্যকলাপ। ২০১৯ সাল থেকে এই আবাসিক হোটেলে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক বেচাকেনা ও সেবনের আড্ডাখানা। এই হোটেলের ম্যানেজার নূরের সাথে যোগাযোগ করা হলে নুরু বলেন আমাদের চট্টগ্রামের এক র্যাব সদস্যের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে আমাদের দেখাশোনা তিনিই করেন। নুরু আরো বলেন আমরা প্রশাসন, বড়নেতা, ছোটনেতা এবং সংবাসাংবাদিকদের মাসোয়ারা দেই। যেসব সাংবাদিকদের মাসোয়ারা দেই তারা সব সময় আমাদের সহযোগিতা করে। নুরু আরো বলেন দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই ব্যবসা করছি একদিনও কোন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয় নাই। আশা করি আগামীতেও হবে না। তিনি বলেন লোকালের সকল সংবাদ কর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে। এ বিষয়ে চাঁদগাও ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলে ওসি বলেন প্রায় সময় এদেরকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। আদালত থেকে জামিনে এসে আবার একই ব্যবসা করে। তদন্ত চলছে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে আশেপাশের ব্যবসায়ীরা বলেন এই গুলজার আবাসিক হোটেলের কারণে নষ্ট হচ্ছে আশেপাশের পরিবেশ, তারা প্রশাসনের সুনজর দাবি করেন।
উপদেষ্টাঃ আনোয়ার হোসেন , সম্পাদক/ প্রকাশক: মোঃ কামরুল ইসলাম , বার্তা সম্পাদকঃ মুনীর হোসেন চৌধুরী । সম্পাদকীয় কার্য্যালয়ঃ সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০।। মোবাইল: ০১৯২৮৮২৯৮৬৩
© All rights reserved © 2024 ঢাকার ক্রাইম