আবু সাঈদ মৃধা : রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান দোয় এ এইচ হোটেল তৃতীয় তলায় রত্না ও রিপনের স্পা সেন্টারের নামে মাদক ও নারী দেহ ব্যবসা করতেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাকের ডগায় হোটেলের পার্লার-বা ইস্পা সার্ভিস আড়ালে জনৈক আওয়ামী লীগ নেতা রিপন মাদক সেবনের আখড়া এবং রমরমা দেহব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে।একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা গুলশান ২ হোটেল এ এইচ তিন তলায় পার্লার আদলে গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপদে বসে মাদক সেবন ও দেহ ব্যবসার অভায়ারন্য । সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই অসামাজিক কার্যক্রম। ফেসবুকে বিভিন্ন নামে বেনামে বিজ্ঞাপন দিয়ে কাস্টমার আকর্ষিত করে বিভিন্ন গ্রুপ করে এখানে নিয়ে আসেন তারপরে মেয়ে দিয়ে শুরু হয় ব্লাকমেইল রহস্যজনকভাবে থানা-পুলিশের ঝামেলা না থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মাদকসেবী ও পতিতাদের আনাগোনা। নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ ও সামাজিক পরিবেশ।সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে আমাদের প্রতিনিধি সাংবাদিকের পরিচয় গোপন করে খদ্দের সেজে নির্ভিগ্নে উক্ত এ এইচ হোটেলেলিফটের তিন পেরিয়ে পৌছে যান রত্না ও রিপনের তথাকথিত স্পাই। নানান বয়সের যুবক-যুবতীর পদচারণা আর ফিসফিসানিতে মুখরিত পরিবেশ।সেখানেই প্রথমে কথা হয় মাদকের ব্যাপারে । প্রতিটি ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম ৩৫০ টাকা । মেয়ে দিয়ে খাইয়ে দিলে দিতে হবে ৫০০ টাকা। এছাড়াও এক বোতল ফেনসিডিল মেলে ৪ হাজার পাচঁ শত টাকায়।মজার ব্যাপার হলো এখানে হাফ বোতল ফেন্সিডিল সেবনেরও ব্যবস্থা রয়েছে।এক্ষেত্রে হাফ বোতলের দাম রাখা হয় ২ হাজার পাঁচশত টাকা। মোটা অংকের মাসোহারায় সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ম্যানেজ করা আছে মর্মে এ প্রতিবেদককে আশ্বস্থ করা হয। এমন আশ্বাসের সত্যতাও পাওয়া গেছে এখানে।পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে কারো চোখে নজর পড়ার মতো অবিরাম যুবক যুবতীদের যাতায়ত চললেও প্রশাসনের নজরে পড়ছেনা এটি।সরেজমিন গোপন পরিদর্শনে আরো মিলল যুবসমাজ ধ্বংস ও সামাজিক পরিবেশ বিনষ্টের চাঞ্চলকর এক আইটেম। এখানে বিভিন্ন মাদক সেবনের পর সেবনকারীরা ইচ্ছে করলেই সহজে যৌন বাসনা মিটাতে পারে বিভিন্ন বয়সী পছন্দের রমনীর সাথে । এখানে বয়সের ভিন্নতা অনুসারে দরও ভিন্ন ভিন্নভাবে পরিশোধ করতে হয় খদ্দেরদের । এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের জন্য গুণতে হবে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা । তাছাড়াও বিভিন্ন বয়সী ও নূতন –পুরাতনের উপর ভিত্তি করে নারীদেহের দামেরও ভিন্নতা রয়েছে। খদ্দরের চাহিদা মেটাতে ফোন করার অল্প সময়ে এসে হাজির হয় বিশেষ আকর্ষনীয় নারী ।প্রশ্ন উঠেছে গুলশান এর মতো অভিজাত এলাকায় পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দিনের পর দিন মাদক আর দেহব্যবসার দু:সাহস তারা পেলো কোথায়? তারা কি আইনের উর্ধ্বে?রমরমা এ মাদক সেবন আর দেহব্যবসার নেপথ্যে কোন শক্তি রয়েছে? আশপাশের অনেকের নজরে পড়লেও সংশ্লিষ্ট গুলশান থানা-পুলিশ কেন তা দেখতে পাচেছনা?এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের মতে মাদক আর অবাধ যৌনতার বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে রত্না ও রিপনের পণ সুখে ভাসলেও বিপদগামী হয়ে ডুবছে যুব সম্প্রদায়। গুলশান থেকে সমাজ বিধ্বংসী এ আখড়ায় পুলিশী অভিযান চালিয়ে রত্না ও রিপন সহ জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সময়ের দাবী।
উপদেষ্টাঃ আনোয়ার হোসেন , সম্পাদক/ প্রকাশক: মোঃ কামরুল ইসলাম , বার্তা সম্পাদকঃ মুনীর হোসেন চৌধুরী । সম্পাদকীয় কার্য্যালয়ঃ সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০।। মোবাইল: ০১৯২৮৮২৯৮৬৩
© All rights reserved © 2024 ঢাকার ক্রাইম