ষ্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্মান ক্ষুন্ন করছে সেই দুর্নীতি বাজ ডাঃ খলিলুর রহমান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন ভাবে নিয়োগ বাণিজ্য,ডিউটি শিফট বাণিজ্য, স্বেচ্ছাসেবীদের দিয়ে দালালি বাণিজ্যের সম্রাট ডক্টর খলিলুর রহমান। যেনশষ্যেরমধ্যেই_ভূত
ডাঃ খলিলুর রহমান সিনিয়র কন্সার্টনেট ও বিভাগীয় প্রধান সার্জারী বিভাগ,শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুর।
তিনি একজন ডাক্তার হয়েও তিনি টেন্ডার কমিটির সদস্য হয়ে তার আপন ছোট ভাই যাকে এলাকার লোকজন ইয়াবা হিসাবে চিনে। যিনি মাদক নিয়ে তার কারবার,।সেই ইয়াবা খায়রুল কে আউটসোর্সিং এর টেন্ডার অনৈতিকভাবে পাইয়ে দেয় ডাঃ খলিল। ইয়াবা খায়রুলের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এ পরিবারের লোকজনদের চাকুরি প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এবং টাকার বিনিময় আরো ৩০-৪০ জন আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগ প্রদান করেছেন বলে জানা যায়। শুধু টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেও ক্ষান্ত হননি তিনি তাদের কাছ থেকে ৩৫০০ করে টাকা নেন আইডি কার্ড আর ইউনিফর্মের জন্য,। এতেও তার পেট ভরে নেই। তিনি গত ঈদের আগে বেতনের সময় সকলের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা প্রতিমাসে তাকে হাদিয়া হিসেবে দিতে হবে, এই মর্মে ঈদের পর ৩/০৪/২০২৪ইংসকলের কাছ থেকে টাকা চায় এবং আইডি কার্ড নিয়ে যেতে বলে ৩১৭ নাম্বার রুম থেকে।
৩১৭ নাম্বার রুমে আউটসোর্সিং এ চাকুরি করে ইয়াবা খায়রুলের রক্তের সম্পর্কের ভাতিজা মোঃ তন্ময়, হোসেন এই তন্ময়ের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এর সকল স্টাফদের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা আদায় করে আইডি কার্ড প্রদান করেন, যারা যারা এই টাকা দিতে আপত্তি করে তাদের আইডি কার্ড এখনো দেয়া হয়নি।
এ ছারা ওয়ার্ড মাস্টার দেরসাথে মিলিত ভাবে অর্থের বিনিময় সুবিধাজনক জায়গায় ডিউটি প্রদান করেন তন্ময়। এছাড়া আরো স্বেচ্ছাসেবীদের দিয়ে হুইল চেয়ার, কেচার, প্যাথলজি পরীক্ষা, ভর্তি সিট বাণিজ্য, টাকার বিনিময় ওটি সিরিয়াল আগে পিছে করণ, ইত্যাদি ডক্টর খলিলুর রহমান তার ভাই ইয়াবা খাইরুল ও তার ভাতিজা তন্ময়ের মাধ্যমে পরিচালনা করেন। ঘুষখোর ডাঃ খলিলের মত ডাক্তারের কারনে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান অচিরেই ধংশ হয়ে যেতে পারে বলে বিষেজ্ঞ্যদের মতামত।
এলাকাবাসী ও হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা গণমাধ্যম কে জানান অচিরেই হাসাপাতালটি ব্যাক্তি ডাঃ খলিলের নেতৃত্বে চলে আসতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারো নেই। কোন ষ্টাফ তার বিরুদ্ধে কথা বল্লে, তার পরিনাম হবে ভয়াবহ। নাম বলতে অনে ইচ্ছুক একজন হাসপাতালের ষ্টাফ জানান ডাঃ খলিলের ও তার আপন ছোট ভাই খায়রুল ইসলাম এর নেতৃত্বে চলে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এই ব্যাপারে জানতে ডাঃ খলিল কে মুঠো ফোনে ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সহ প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এলাকাবাসী, শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কে দুর্নীতি মুক্ত করতে আপনাদের সদয় মর্জি কামনা করেন।
ডাঃ খলিল, তার ছোট ভাই ইয়াবা খায়রুল সহ তার ভাতিজা তন্ময় সহ তাদের পরিবারের যারা হাসপাতালে চাকুরীতে দায়িত্ব পালন করছে। তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হইতে দ্রুত অপসারণ করে, হাসপাতাল টি দুর্নীতি ও ঘুষ মুক্ত করুন। হাসপাতাল হচ্ছে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এখানে থাকবেনা কোন দুর্নীতি। থাকবেনা কোন দলীয় করন, ও ঘুষ কেলেংকারী।
উপদেষ্টাঃ আনোয়ার হোসেন , সম্পাদক/ প্রকাশক: মোঃ কামরুল ইসলাম , বার্তা সম্পাদকঃ মুনীর হোসেন চৌধুরী । সম্পাদকীয় কার্য্যালয়ঃ সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০।। মোবাইল: ০১৯২৮৮২৯৮৬৩
© All rights reserved © 2024 ঢাকার ক্রাইম