*অবৈধ ইটভাটা পরিবেশর অধিদপ্তর এর অভিযান চলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের,ইটভাটার মালিকেরা হতাশায়*
স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালী জেলায় যতগুলো ইটভাটা আছে, বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী, ইটভাটার মালিকেরা হতাশা এবং ক্ষতিগস্থ অবস্থায় আছে। অবৈধ ইটভাটার মালিকেরা দিতে হচ্ছে জরিমানা। নোয়াখালী জেলায় সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় বৈধ ইটভাটার সংখ্যা রয়েছে ১১২টি, অবৈধ ইটভাটা ৪১টি। তবে সরেজমিনে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায় জেলায় অবৈধভাবে চলছে শতাধিক ইটভাটা। এইসব অবৈধ ইটভাটায় ধেদারছে ফসলি জমির ওপরের টপ ফসলি (মাটি) কেটে শিশু শ্রমের মাধ্যমে তৈরী হয় ইট বাংলা সে-মনির মাধ্যমে কাঠ কেটে পড়ানো হচ্ছে। আবার স্থায়ী পর্যায় থেকে সংগ্রহকৃত গাছ লাকড়ি করার জন্য ভাটার মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে অবৈধ করাত কল। ইটভাটার মাটি ও গাছ বোঝাই ভারি যানবাহন চলাচলে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক।
সরেজমিন জেলার সুবর্ণাচর উপজেলার অনেকগুলো বাংলা রয়েছে, ম্যাক্সিমাম ইটের ভাটা গুলো অবৈধ বলে দেখা গিয়াছে। রিপোর্টার পাটোয়ারী বলেন রামগতি অনেক গুলো ইটের ভাটা অবৈধ বলে যানিয়াছেন। এবং বলেন সরজমিনে প্রমাণ পাওয়া যায় সরকার অনুমতি বিহীন অবৈধ অনেক গুলা ইটের ভাটা রয়েছে। সাংবাদিক ইটের মালিকদের সাথে কথা বলেন; স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ ইটভাটারগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর হুশিয়ারি থাকলেও অ-জানা কারণে নিশ্চুপ রয়েছেন নোয়াখালীর পরিবেশ অধিদপ্তর। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই চলছে এসব অবৈধ ইটভাটা, অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা কোটি-কোটি টাকার ইটভাটায় মাঝে-মধ্যে লোক দেখানো অভিযানে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে জনসাধারণকে দেয়া হয় শান্তনা। অভিযানের পর পরই আবার ধেদারছে শুরু হয় অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম। এভাবে প্রতিটি অবৈধ ইটভাটার মালিক বছরে ৪-৫ লাখ টাকা খরচ করে নিয়ে যান কোটি-কোটি টাকার সুবিধা। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
ইটভাটায় কাঠ ব্যবহার সম্পূন্ন নিষিদ্ধ এবং বাংলা সেমনিও পরিবেশ সম্মত নয় এমনটি স্বীকার করে সুবর্ণাচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া আক্তার লাকী বলেন, ইটভাটার বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আমারা সঙ্গে কথা বলে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায়। পরিবেশ অধিদপ্তর নোয়াখালীর উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার বলেন, সরকারের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে আমরা অবৈধ ইটভাটার তালিকা প্রণয়ন করেছি এবং অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ৫টি অভিযান পরিচালনা করেছি। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের পরও কিভাবে ভাটাগুলো পুণরায় চালানো হচ্ছে এমন প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্ত অবৈধ ইটভাটাগুলো গুড়িয়ে দেয়া অথবা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, পরিবেশের জন্য বিপর্যয় এবং অবৈধ ইটভাটা বন্ধের পরিকল্পনা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান স্থানীয় লোকেরা।
উপদেষ্টাঃ আনোয়ার হোসেন , সম্পাদক/ প্রকাশক: মোঃ কামরুল ইসলাম , বার্তা সম্পাদকঃ মুনীর হোসেন চৌধুরী । সম্পাদকীয় কার্য্যালয়ঃ সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা -১০০০।। মোবাইল: ০১৯২৮৮২৯৮৬৩
© All rights reserved © 2024 ঢাকার ক্রাইম